শেরপুরে পানিতে ডুবা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ জুলাই বুধবার সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হলরুমে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক।
সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শেরপুর সদর উপজেলায় ‘সোনামণি’ প্রকল্পের কার্যক্রম ও পানিতে ডুবা প্রতিরোধ সম্পর্কে কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সিআইপিআরবি গবেষণা ব্যবস্থাপক নোটন চন্দ্র দত্ত। ওইসময় তিনি বলেন, দেশের প্রতি বছর ১৮ হাজার ৬০০ মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এর মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু রয়েছে ১০ হাজার ১৫০ জন। সে হিসেবে দিনে গড়ে প্রায় ২৮ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে।
এসময় অন্যান্য অতিথির মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুল কবীর, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আসলাম খান, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিআইপিআরবি’র গবেষণা কর্মকর্তা মো. মাহবুব হোসেন। ওইসময় সদর উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, অভিভাবক, আঁচল মা ও সহকারী এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ‘সোনামণি’ প্রকল্পের ২০টি সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কর্মজীবী পরিবারের ১ থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য রাখা হয়েছে। এসব শিশুদের দেখভাল করছেন আঁচল মা ও সহকারীরা। তারা এ সময় প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন এবং মানসিক বিকাশে নানা পরিচর্যা করছেন।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে পানিতে ডুবা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ জুলাই বুধবার সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হলরুমে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক।
সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শেরপুর সদর উপজেলায় ‘সোনামণি’ প্রকল্পের কার্যক্রম ও পানিতে ডুবা প্রতিরোধ সম্পর্কে কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সিআইপিআরবি গবেষণা ব্যবস্থাপক নোটন চন্দ্র দত্ত। ওইসময় তিনি বলেন, দেশের প্রতি বছর ১৮ হাজার ৬০০ মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। এর মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু রয়েছে ১০ হাজার ১৫০ জন। সে হিসেবে দিনে গড়ে প্রায় ২৮ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে।
এসময় অন্যান্য অতিথির মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. লুৎফুল কবীর, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আসলাম খান, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সিআইপিআরবি’র গবেষণা কর্মকর্তা মো. মাহবুব হোসেন। ওইসময় সদর উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, অভিভাবক, আঁচল মা ও সহকারী এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ‘সোনামণি’ প্রকল্পের ২০টি সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কর্মজীবী পরিবারের ১ থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য রাখা হয়েছে। এসব শিশুদের দেখভাল করছেন আঁচল মা ও সহকারীরা। তারা এ সময় প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন এবং মানসিক বিকাশে নানা পরিচর্যা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন