বাংলাদেশ থেকে বৃহৎ পরিসরে কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, সত্যিকার অর্থে লার্জ স্কেলে বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল রপ্তানি আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। কাঁঠাল রপ্তানির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ শেষ হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এসব কথা গণমাধ্যমকে জানান কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই সরকার মনে প্রাণে বিশ্বাস করে কৃষিকে শক্তিশালী করলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষিকে শক্তিশালী করার জন্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পেতে হবে। এবং এ কারণেই আমরা লোকাল মার্কেটের পাশাপাশি কৃষি পণ্য রপ্তানিতে অনেক জোরালো ভূমিকা রাখছি।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। গভর্মেন্ট আগের ১১ হাজার পেঁয়াজ কোল্ড স্টোরেজের সাথে এই বছরে এই মুহূর্তে আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন হচ্ছে আরও প্রায় ১৫ হাজার কোল্ড স্টোরেজ। সমস্যা ছিল আমাদের উৎপাদিত পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু আমাদের নতুন স্টোরেজ সিস্টেমে পেঁয়াজ ছয় মাস পর্যন্ত রাখা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে বৃহৎ পরিসরে কাঁঠাল রপ্তানি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, সত্যিকার অর্থে লার্জ স্কেলে বাংলাদেশ থেকে কাঁঠাল রপ্তানি আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। কাঁঠাল রপ্তানির জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে কাজ শেষ হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এসব কথা গণমাধ্যমকে জানান কৃষিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই সরকার মনে প্রাণে বিশ্বাস করে কৃষিকে শক্তিশালী করলে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষিকে শক্তিশালী করার জন্য কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পেতে হবে। এবং এ কারণেই আমরা লোকাল মার্কেটের পাশাপাশি কৃষি পণ্য রপ্তানিতে অনেক জোরালো ভূমিকা রাখছি।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। গভর্মেন্ট আগের ১১ হাজার পেঁয়াজ কোল্ড স্টোরেজের সাথে এই বছরে এই মুহূর্তে আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন হচ্ছে আরও প্রায় ১৫ হাজার কোল্ড স্টোরেজ। সমস্যা ছিল আমাদের উৎপাদিত পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু আমাদের নতুন স্টোরেজ সিস্টেমে পেঁয়াজ ছয় মাস পর্যন্ত রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন