শেরপুরে জনস্বার্থে দালাল ও অবৈধ পলিথিনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১৭ আগস্ট) শেরপুর সদর হাসপাতাল ও কুসুমহাটি বাজার এলাকায় পৃথকভাবে এসব মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
শেরপুর সদর হাসপাতালে দালাল রোধে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে একজনকে মানবদেহ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে আটক করা হয়। মোবাইল কোর্টে আটক ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে অনুতপ্ত হন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় তাকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান।
অন্যদিকে, সদর উপজেলার কুসুমহাটি বাজার এলাকায় অবৈধ পলিথিনবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস। অভিযানে শেরপুর পুলিশ লাইন্সের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ সময় ৩১৩ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে দালাল, অবৈধ পলিথিনসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
শেরপুরে জনস্বার্থে দালাল ও অবৈধ পলিথিনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১৭ আগস্ট) শেরপুর সদর হাসপাতাল ও কুসুমহাটি বাজার এলাকায় পৃথকভাবে এসব মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
শেরপুর সদর হাসপাতালে দালাল রোধে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে একজনকে মানবদেহ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে আটক করা হয়। মোবাইল কোর্টে আটক ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে অনুতপ্ত হন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় তাকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান।
অন্যদিকে, সদর উপজেলার কুসুমহাটি বাজার এলাকায় অবৈধ পলিথিনবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদুর রহমান। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস। অভিযানে শেরপুর পুলিশ লাইন্সের সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। এ সময় ৩১৩ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ করা হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে দালাল, অবৈধ পলিথিনসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন