শেরপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা বিক্রির সময় হাতেনাতে আকাশ (২১) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১৮ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৬ আগস্ট বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চকসাহাব্দি আসামপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান এই সাজা প্রদান করেন। আকাশ ওই গ্রামের আব্দুল আজিমের ছেলে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চকসাহাব্দি আসামপাড়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সঙ্গীয় ফোর্সসহ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ওইসময় ওই গ্রামের মাদক কারবারি আকাশের বাড়িতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সোর্সের মাধ্যমে ছদ্মবেশে গাঁজা ক্রয় করতে গেলে আকাশকে বিপুল পরিমাণের গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। ওইসময় আকাশের বাড়ির অন্যান্য সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনরা ধারালো দা-কাঁচি ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ভ্রাম্যমান আদালতের সঙ্গীয় ফোর্স থাকায় তারা ব্যর্থ হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ওই মাদক কারবারিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কিরাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও একদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পড়ে তাকে শেরপুর সদর থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
শেরপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা বিক্রির সময় হাতেনাতে আকাশ (২১) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১৮ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৬ আগস্ট বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চকসাহাব্দি আসামপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান এই সাজা প্রদান করেন। আকাশ ওই গ্রামের আব্দুল আজিমের ছেলে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চকসাহাব্দি আসামপাড়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সঙ্গীয় ফোর্সসহ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। ওইসময় ওই গ্রামের মাদক কারবারি আকাশের বাড়িতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সোর্সের মাধ্যমে ছদ্মবেশে গাঁজা ক্রয় করতে গেলে আকাশকে বিপুল পরিমাণের গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। ওইসময় আকাশের বাড়ির অন্যান্য সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনরা ধারালো দা-কাঁচি ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ভ্রাম্যমান আদালতের সঙ্গীয় ফোর্স থাকায় তারা ব্যর্থ হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ওই মাদক কারবারিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কিরাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও একদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পড়ে তাকে শেরপুর সদর থানা পুলিশের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন