শেরপুর     শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

শেরপুরের আখের মামুদ বাজারে রাইস মিলের ছাইয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন



শেরপুরের আখের মামুদ বাজারে রাইস মিলের ছাইয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন
ছবি : প্রতিনিধি

শেরপুর পৌর শহরের মোবারকপুর মহল্লায় গড়ে ওঠা মোহাম্মদ আলী অটো রাইস মিলের নির্গত উড়ন্ত ছাই ও বর্জ্যের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা। পরিবেশগত শর্ত না মেনে চলায় বসতবাড়ি, কৃষিজমি এবং মৃগী নদীও মারাত্মক দূষণের মুখে পড়েছে।

সম্প্রতি মোবারকপুর ও আখের মামুদ বাজার এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাতাসে উড়ন্ত ছাইয়ে ময়লা হয়ে যাচ্ছে আখের মামুদ বাজারের দোকানপাটের মালামাল, স্থানীয় বাড়িঘর, উঠান, আসবাবপত্র ও কৃষিজমি। ছাইয়ের কণা ছড়িয়ে পড়ছে চোখ-মুখে। ফলে শিশুদের ঘরের বাইরে খেলাধুলা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়ছে শেরপুর-শ্রীবরদী সড়কে যাতায়াত করা পথচারীরা।

দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লার গৃহিণী খালেদা ইয়াসমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কাপড়চোপড় - কাঁথা ধুয়ে রোদে দিলেই ছাইয়ে ঢেকে যায়। বাচ্চাকে নিয়ে বাইরে বের হতে পারি না, চোখে ছাই ঢুকে কান্নাকাটি করে। ছাইয়ের ভয়ে বাচ্চারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তরুণ ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। মোহাম্মদ আলীর মিলের ছাই আট দশ বছর ধরে জীবন অতিষ্ঠ করে ফেলেছে। সরকারি লোক আসে, আর মোহাম্মদের অফিসে গেলেই চুপসে যায়।  

একই ভোগান্তির কথা জানান মিলের ৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত আখের মাহমুদ বাজার আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, জানালা খুললেই বেঞ্চ- টেবিলে ছাই উড়ে আসে। চোখে পড়ে, চোখে পড়লে এই কালো চিকন শক্ত ছাই আর বের হতে চায় না। আমাদের বিদ্যালয়ের সবাই খুব কষ্টে আছি। 

স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আখের মাহমুদ বাজারে মোহাম্মদ আলী অটো রাইস মিলের শক্ত ছাই ঘরের বিছানা, ভাত,  তরকারি,  বারান্দা, সব যায়গায় এতো পরিমান ছাই আসতেছে দরজা জানালা খুলা যাচ্ছে না। বিগত ১ সাপ্তাহ থেকে বাড়িতে থাকা খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে সকালে বিছানায় শুয়ে আছি চোখে শক্ত ছাই এসে পড়ছে, অবশেষে চক্ষু হসপিটালে এসে ছাই বের করতে হয়েছে, চোখের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে ঠিক ভাবে তাকাতে পারতেছি না। বার বার বলেও এর সমাধান পাচ্ছি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ জানাতে গেলে মোহাম্মদ আলীর কতিপয় ভাড়াটে লোকজন হামলা মামলার হুমকি দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক ছানোয়ার বিএসসি বলেন, জেলা প্রশাসকসহ বেশ কয়েকটি অফিসে ফ্যাসিবাদী আমলে অন্তত ২০ বার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের ফোনে সবকিছুই নীরবে সরে যেতো। কিন্তু এখন দেশে গণতান্ত্রিক সরকার, জনগণের সরকার। আশাকরি স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘবে প্রশাসন পিছপা হবে না।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহিন আহমেদ বাপ্পি বলেন, শেরপুর- শ্রীবরদী রাস্তা দিয়ে চলাচল করাটাও এখন আতঙ্ক। মোটরসাইকেল, সাইকেল, রিকশা ও পায়ে হেঁটে গেলেও চোখে ছাই পড়ে। কেবল বড় বড় অফিসারদের কালো গ্লাস ওয়ালা গাড়িতেই ছাই যায় না, তাই তারা ব্যাথাও বুঝে না। বহুবার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তদন্তও হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিছুদিন ছাই কম উড়ে, ফের আগের অবস্থাতেই ফিরে আসে। 

আরিফুর রহমান আকিব বলেন, মোবারক পুর, আখের মামুদ বাজার, দমদমা, কালিগঞ্জ মহল্লার এমন একটা মানুষ নেই যার চোখে ছাই গিয়ে না ভুগেছে। এটা এমন শক্ত ছাই যা চোখে গেলে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তরুণ ছাড়া অন্য কেউ বের করতে পারে না। আখের মামুদ বাজার, নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও দুইটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও অতিষ্ঠ এই ছাইয়ে। বাড়িঘরে গিয়ে ত সবকিছু ময়লা হয়ে যাচ্ছে। আর মিলের গরম পঁচা পানি পাইপের লাইন দিয়ে মৃগী নদীতে ফেলছে। যা নদীর পানিকে দূষিত করছে। মারা যাচ্ছে বিভিন্ন জলজপ্রাণী ও মাছ। প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমি নিজেও মামলায় পড়েছিলাম। ফ্যাসিবাদী আমলে তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা দিয়ে প্রতিবাদকারীদের হুমকি দিয়ে আসতেন। আর প্রশাসনের কেউ তদন্তে আসলে তার বাসায় পৌঁছে যায় হরেক রকমের চিকন চাল। বন্ধ হয়ে যায় তদন্তের ফলাফল। 

স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, আমার চোখে ছাই পড়লে ময়মনসিংহে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। কিছু বলতে গেলে আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে সরাসরি মামলা হামলার হুমকি দিতেন মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে। তারা এখন ভোল্ট পালটে অন্যদলের নেতাকর্মীদের কাছে ভিড়তে চাচ্ছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের এই দোসরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী আমলের ন্যায় যেনো চিকন চাল পেয়ে অভিযান বন্ধ না হয়ে যায়। জনস্বার্থে আপনাদের সরকারের দেওয়া দামি গাড়ির গ্লাসটা একটু খুলে এখান দিয়ে চলাফেরা করবেন। তাহলে আমাদের কষ্ট টা বুঝবেন। 

সেভ দ্যা ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড ন্যাচার (সোয়ান) এর শেরপুরের সদস্য রহমত আলী বলেন, এই মিলের পরিবেশ দূষণের প্রভাব পড়ছে স্থানীয় কৃষি উৎপাদনেও। রাইস মিলের কালো গরম পানি সরাসরি ফেলা হচ্ছে মৃগী নদীতে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অটো রাইস মিলে বর্জ্য পরিশোধনের জন্য নিজস্ব পুকুর বা শোধনাগার থাকার কথা থাকলেও এখানে তা নেই। পাশাপাশি ছাইয়ের প্রভাবেও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। 

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলীকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

পরিবেশ অধিদপ্তর শেরপুরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিধি অনুযায়ী দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


শেরপুরের আখের মামুদ বাজারে রাইস মিলের ছাইয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেরপুর পৌর শহরের মোবারকপুর মহল্লায় গড়ে ওঠা মোহাম্মদ আলী অটো রাইস মিলের নির্গত উড়ন্ত ছাই ও বর্জ্যের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা। পরিবেশগত শর্ত না মেনে চলায় বসতবাড়ি, কৃষিজমি এবং মৃগী নদীও মারাত্মক দূষণের মুখে পড়েছে।

সম্প্রতি মোবারকপুর ও আখের মামুদ বাজার এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাতাসে উড়ন্ত ছাইয়ে ময়লা হয়ে যাচ্ছে আখের মামুদ বাজারের দোকানপাটের মালামাল, স্থানীয় বাড়িঘর, উঠান, আসবাবপত্র ও কৃষিজমি। ছাইয়ের কণা ছড়িয়ে পড়ছে চোখ-মুখে। ফলে শিশুদের ঘরের বাইরে খেলাধুলা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়ছে শেরপুর-শ্রীবরদী সড়কে যাতায়াত করা পথচারীরা।

দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লার গৃহিণী খালেদা ইয়াসমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘কাপড়চোপড় - কাঁথা ধুয়ে রোদে দিলেই ছাইয়ে ঢেকে যায়। বাচ্চাকে নিয়ে বাইরে বের হতে পারি না, চোখে ছাই ঢুকে কান্নাকাটি করে। ছাইয়ের ভয়ে বাচ্চারা ঘর থেকেই বের হতে চায় না। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তরুণ ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। মোহাম্মদ আলীর মিলের ছাই আট দশ বছর ধরে জীবন অতিষ্ঠ করে ফেলেছে। সরকারি লোক আসে, আর মোহাম্মদের অফিসে গেলেই চুপসে যায়।  

একই ভোগান্তির কথা জানান মিলের ৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত আখের মাহমুদ বাজার আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, জানালা খুললেই বেঞ্চ- টেবিলে ছাই উড়ে আসে। চোখে পড়ে, চোখে পড়লে এই কালো চিকন শক্ত ছাই আর বের হতে চায় না। আমাদের বিদ্যালয়ের সবাই খুব কষ্টে আছি। 

স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আখের মাহমুদ বাজারে মোহাম্মদ আলী অটো রাইস মিলের শক্ত ছাই ঘরের বিছানা, ভাত,  তরকারি,  বারান্দা, সব যায়গায় এতো পরিমান ছাই আসতেছে দরজা জানালা খুলা যাচ্ছে না। বিগত ১ সাপ্তাহ থেকে বাড়িতে থাকা খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে সকালে বিছানায় শুয়ে আছি চোখে শক্ত ছাই এসে পড়ছে, অবশেষে চক্ষু হসপিটালে এসে ছাই বের করতে হয়েছে, চোখের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছে ঠিক ভাবে তাকাতে পারতেছি না। বার বার বলেও এর সমাধান পাচ্ছি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ জানাতে গেলে মোহাম্মদ আলীর কতিপয় ভাড়াটে লোকজন হামলা মামলার হুমকি দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক ছানোয়ার বিএসসি বলেন, জেলা প্রশাসকসহ বেশ কয়েকটি অফিসে ফ্যাসিবাদী আমলে অন্তত ২০ বার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের ফোনে সবকিছুই নীরবে সরে যেতো। কিন্তু এখন দেশে গণতান্ত্রিক সরকার, জনগণের সরকার। আশাকরি স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘবে প্রশাসন পিছপা হবে না।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহিন আহমেদ বাপ্পি বলেন, শেরপুর- শ্রীবরদী রাস্তা দিয়ে চলাচল করাটাও এখন আতঙ্ক। মোটরসাইকেল, সাইকেল, রিকশা ও পায়ে হেঁটে গেলেও চোখে ছাই পড়ে। কেবল বড় বড় অফিসারদের কালো গ্লাস ওয়ালা গাড়িতেই ছাই যায় না, তাই তারা ব্যাথাও বুঝে না। বহুবার অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তদন্তও হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিছুদিন ছাই কম উড়ে, ফের আগের অবস্থাতেই ফিরে আসে। 

আরিফুর রহমান আকিব বলেন, মোবারক পুর, আখের মামুদ বাজার, দমদমা, কালিগঞ্জ মহল্লার এমন একটা মানুষ নেই যার চোখে ছাই গিয়ে না ভুগেছে। এটা এমন শক্ত ছাই যা চোখে গেলে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তরুণ ছাড়া অন্য কেউ বের করতে পারে না। আখের মামুদ বাজার, নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও দুইটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও অতিষ্ঠ এই ছাইয়ে। বাড়িঘরে গিয়ে ত সবকিছু ময়লা হয়ে যাচ্ছে। আর মিলের গরম পঁচা পানি পাইপের লাইন দিয়ে মৃগী নদীতে ফেলছে। যা নদীর পানিকে দূষিত করছে। মারা যাচ্ছে বিভিন্ন জলজপ্রাণী ও মাছ। প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমি নিজেও মামলায় পড়েছিলাম। ফ্যাসিবাদী আমলে তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা দিয়ে প্রতিবাদকারীদের হুমকি দিয়ে আসতেন। আর প্রশাসনের কেউ তদন্তে আসলে তার বাসায় পৌঁছে যায় হরেক রকমের চিকন চাল। বন্ধ হয়ে যায় তদন্তের ফলাফল। 

স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, আমার চোখে ছাই পড়লে ময়মনসিংহে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। কিছু বলতে গেলে আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে সরাসরি মামলা হামলার হুমকি দিতেন মোহাম্মদ আলী ও তার ছেলে। তারা এখন ভোল্ট পালটে অন্যদলের নেতাকর্মীদের কাছে ভিড়তে চাচ্ছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের এই দোসরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, ফ্যাসিবাদী আমলের ন্যায় যেনো চিকন চাল পেয়ে অভিযান বন্ধ না হয়ে যায়। জনস্বার্থে আপনাদের সরকারের দেওয়া দামি গাড়ির গ্লাসটা একটু খুলে এখান দিয়ে চলাফেরা করবেন। তাহলে আমাদের কষ্ট টা বুঝবেন। 

সেভ দ্যা ওয়াইল্ড লাইফ এন্ড ন্যাচার (সোয়ান) এর শেরপুরের সদস্য রহমত আলী বলেন, এই মিলের পরিবেশ দূষণের প্রভাব পড়ছে স্থানীয় কৃষি উৎপাদনেও। রাইস মিলের কালো গরম পানি সরাসরি ফেলা হচ্ছে মৃগী নদীতে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি অটো রাইস মিলে বর্জ্য পরিশোধনের জন্য নিজস্ব পুকুর বা শোধনাগার থাকার কথা থাকলেও এখানে তা নেই। পাশাপাশি ছাইয়ের প্রভাবেও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। 

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ আলীকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

পরিবেশ অধিদপ্তর শেরপুরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিধি অনুযায়ী দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত