শেরপুর     শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

আমার মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিম ও ষড়যন্ত্রমূলক: রিজভী


নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

আমার মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিম ও ষড়যন্ত্রমূলক: রিজভী
সংগৃহিত ছবি

বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি স্যাবোটাজ (পরিকল্পিত) কি না সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘আজকে একটার পর একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে। এগুলো স্যাবোটাজ কি না সে বিষয়ে মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে। আজকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে বলেই সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হয়।’


শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ১২ দলীয় জোটের ‘দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মহেশখালীর এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির পর আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এসব ঘটনায় সব মানুষের মনে এই প্রশ্নটি দেখা দিয়েছে যে, এর পেছনে কোনো রহস্য আছে কি না? কোথাও কোনো স্যাবোটাজ হচ্ছে কি না? কেন এখন একটার পর একটা কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘সরকার তো চেষ্টা করেছে, যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সরকারের কাছ থেকে টাকা পায়, কিস্তি অনুযায়ী সেই টাকা শোধ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিকভাবেও যে চুক্তিটি আছে- ধরুন, ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি আছে, তাদের যে পাওনা সেটাও সরকার দিচ্ছে। তাহলে এটা হচ্ছে কেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলব যে সংকট, সে সংকটটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে এবং কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আমার কাছে কেন জানি মনে হচ্ছে। অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন, আপনি কীভাবে বলছেন? কিন্তু বাস্তবতা ও বিরাজমান ঘটনাগুলো দেখে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না? কোথাও কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না?’

রংপুরের চার হত্যার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ‘রংপুরে একটি হিন্দু পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে সরকার দ্রুত গতিতে কাজ করছে। আমরা এমন ঘটনা ২০০১-২০০৬ সালেও দেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু সংকট আছে। গ্যাস সংকট আছে। এজন্য কে দায়ী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দায়ী। যতগুলো জাহাজ আসতে পারতো এখন সেগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে আসতে পারছে না। আমাদের মহেশখালীতে যে রিগ্যাসিফিকেশন করা হতো সেখানেও ত্রুটি হয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে। আর কিছু দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে ইনশাআল্লাহ’

রিজভী বলেন, ‘সরকার তো মানুষের উপকারের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নানামুখী কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ড দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের উত্তর পশ্চিমে মরুভূমি হওয়ার উপক্রম। মাটির নিচেও বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। সেই দিক বিবেচনায় বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচি আবারও গ্রহণ করেছে। পাঁচ বছরে বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। ৬ মাসে ১ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। আজকে এসব কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ দলীয় জোট সব সময় দেশের পক্ষে গণতন্ত্রের পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দেশকে রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছে ১২ দলীয় জোট। বিরোধী দল সংসদে ও বাইরে কথা বলবে ঠিক আছে কিন্তু কোনো অপ্রাসঙ্গিক কথা যেন না বলে।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আজকে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল উঁকি দিচ্ছে। রক্তপিপাসু আওয়ামী লীগ হাজারো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিলো, শিশুদের জীবন কেড়ে নিলো তাদের বিচার হবে না! তাহলে তারা ফিরে আসলে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের কী হবে? কেউ তো রেহাই পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘এই দলটির (আ.লীগ) ডিএনএর সাথে খুনের বিষয়টি জড়িত। তারা নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করতেও দ্বিধা করেনি! তারা কি আবারও ফিরে এসে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখছে! আমরা কি সব ভুলে গেছি? হাজারো লাশের রক্ত ডিঙিয়ে তারা আবার রাজনীতি করবে? তারা তো বিরোধী রাজনীতি সহ্য করতে পারে না। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যে যাতে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান আর না ঘটে। বিশ্বের কোথাও কিন্তু পরাজিত শক্তির উত্থান ঘটেনি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের সমালোচনা থাকবে। কিন্তু সেটা যাতে বাকস্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম না করে। ইসলামি আইন ফারাজ নিয়ে কথা হচ্ছে। এ কথা তো সত্যি যে, অনেক মা বাবাকে তাদের সন্তানেরা ঠিকমতো দেখেনা। খোঁজ রাখে না। যে আইনটি হয়েছে সেটা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত।’

সভাপতির বক্তব্যে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘আমরা সরকারের সমালোচনা করবো ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দেবে বন্ধু হয়ে। আজকের বিরোধী দল দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে না।’

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসেনের যৌথ পরিচালনায় জোটের মুখপাত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ড. মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দিন পারভেজ, জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লিংকন, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, ইসলামি ঐক্য জোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিম, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান এমএ বাশার, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল মান্নান, ইসলামি ঐক্য জোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমীনসহ অন্যান্য নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আমার মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ সংকট কৃত্রিম ও ষড়যন্ত্রমূলক: রিজভী

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি স্যাবোটাজ (পরিকল্পিত) কি না সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘আজকে একটার পর একটা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে। এগুলো স্যাবোটাজ কি না সে বিষয়ে মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে। আজকে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে বলেই সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হয়।’


শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ১২ দলীয় জোটের ‘দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মহেশখালীর এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির পর আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এসব ঘটনায় সব মানুষের মনে এই প্রশ্নটি দেখা দিয়েছে যে, এর পেছনে কোনো রহস্য আছে কি না? কোথাও কোনো স্যাবোটাজ হচ্ছে কি না? কেন এখন একটার পর একটা কারিগরি ত্রুটি হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘সরকার তো চেষ্টা করেছে, যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সরকারের কাছ থেকে টাকা পায়, কিস্তি অনুযায়ী সেই টাকা শোধ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিকভাবেও যে চুক্তিটি আছে- ধরুন, ভারতের সঙ্গে যে চুক্তি আছে, তাদের যে পাওনা সেটাও সরকার দিচ্ছে। তাহলে এটা হচ্ছে কেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বলব যে সংকট, সে সংকটটি কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে এবং কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে আমার কাছে কেন জানি মনে হচ্ছে। অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলতে পারেন, আপনি কীভাবে বলছেন? কিন্তু বাস্তবতা ও বিরাজমান ঘটনাগুলো দেখে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, কোথাও কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না? কোথাও কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না?’

রংপুরের চার হত্যার কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ‘রংপুরে একটি হিন্দু পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। তবে সরকার দ্রুত গতিতে কাজ করছে। আমরা এমন ঘটনা ২০০১-২০০৬ সালেও দেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু সংকট আছে। গ্যাস সংকট আছে। এজন্য কে দায়ী মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দায়ী। যতগুলো জাহাজ আসতে পারতো এখন সেগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে আসতে পারছে না। আমাদের মহেশখালীতে যে রিগ্যাসিফিকেশন করা হতো সেখানেও ত্রুটি হয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে। আর কিছু দিনের মধ্যে স্বাভাবিক হবে ইনশাআল্লাহ’

রিজভী বলেন, ‘সরকার তো মানুষের উপকারের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নানামুখী কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ড দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের উত্তর পশ্চিমে মরুভূমি হওয়ার উপক্রম। মাটির নিচেও বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। সেই দিক বিবেচনায় বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচি আবারও গ্রহণ করেছে। পাঁচ বছরে বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। ৬ মাসে ১ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। আজকে এসব কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ দলীয় জোট সব সময় দেশের পক্ষে গণতন্ত্রের পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দেশকে রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছে ১২ দলীয় জোট। বিরোধী দল সংসদে ও বাইরে কথা বলবে ঠিক আছে কিন্তু কোনো অপ্রাসঙ্গিক কথা যেন না বলে।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আজকে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল উঁকি দিচ্ছে। রক্তপিপাসু আওয়ামী লীগ হাজারো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিলো, শিশুদের জীবন কেড়ে নিলো তাদের বিচার হবে না! তাহলে তারা ফিরে আসলে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের কী হবে? কেউ তো রেহাই পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘এই দলটির (আ.লীগ) ডিএনএর সাথে খুনের বিষয়টি জড়িত। তারা নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা করতেও দ্বিধা করেনি! তারা কি আবারও ফিরে এসে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন দেখছে! আমরা কি সব ভুলে গেছি? হাজারো লাশের রক্ত ডিঙিয়ে তারা আবার রাজনীতি করবে? তারা তো বিরোধী রাজনীতি সহ্য করতে পারে না। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যে যাতে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান আর না ঘটে। বিশ্বের কোথাও কিন্তু পরাজিত শক্তির উত্থান ঘটেনি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের সমালোচনা থাকবে। কিন্তু সেটা যাতে বাকস্বাধীনতার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম না করে। ইসলামি আইন ফারাজ নিয়ে কথা হচ্ছে। এ কথা তো সত্যি যে, অনেক মা বাবাকে তাদের সন্তানেরা ঠিকমতো দেখেনা। খোঁজ রাখে না। যে আইনটি হয়েছে সেটা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত।’

সভাপতির বক্তব্যে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, ‘আমরা সরকারের সমালোচনা করবো ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দেবে বন্ধু হয়ে। আজকের বিরোধী দল দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে না।’

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবু হানিফ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসেনের যৌথ পরিচালনায় জোটের মুখপাত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ড. মাওলানা মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দিন পারভেজ, জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লিংকন, ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, ইসলামি ঐক্য জোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল করিম, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান এমএ বাশার, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) চেয়ারম্যান ফিরোজ মোহাম্মদ লিটন, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান মাস্টার আবদুল মান্নান, ইসলামি ঐক্য জোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমীনসহ অন্যান্য নেতারা।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত