শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দশম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত কাজী ও বর-কনের বাবাকে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মালেক।
জানা যায়, কালিনগর গ্রামের আবুল হাসেমের ১৬ বছর বয়সী দশম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের সন্ন্যাসীভিটা গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে মারেফতের (১৯) বিয়ের আয়োজন করা হয়। বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ১১ ধারায় কাজী মোহাম্মদ সায়েমকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। তিনি কালিনগর গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে।
এ ছাড়া একই আইনের ৮ ধারায় বর মারেফতের বাবা মো. আকরাম আলীকে ১০ হাজার টাকা এবং কনের বাবা আবুল হাসেমকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে ছেলে ও উভয় পক্ষের বাবার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। এতে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেওয়া হবে না বলে তারা অঙ্গীকার করেন।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দশম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিয়ের আয়োজনের সঙ্গে জড়িত কাজী ও বর-কনের বাবাকে মোট ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মালেক।
জানা যায়, কালিনগর গ্রামের আবুল হাসেমের ১৬ বছর বয়সী দশম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের সন্ন্যাসীভিটা গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে মারেফতের (১৯) বিয়ের আয়োজন করা হয়। বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এ সময় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ১১ ধারায় কাজী মোহাম্মদ সায়েমকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। তিনি কালিনগর গ্রামের মজিবুল হকের ছেলে।
এ ছাড়া একই আইনের ৮ ধারায় বর মারেফতের বাবা মো. আকরাম আলীকে ১০ হাজার টাকা এবং কনের বাবা আবুল হাসেমকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে ছেলে ও উভয় পক্ষের বাবার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। এতে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে ছেলে-মেয়ের বিয়ে দেওয়া হবে না বলে তারা অঙ্গীকার করেন।

আপনার মতামত লিখুন