শেরপুরের শ্রীবরদীতে একই দিনে পৃথক দুটি বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা এবং তাতিহাটি ইউনিয়নের পুটল গ্রামে ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোরীর বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দুই বাল্যবিবাহই বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসব ঘটনা ঘটে। বাল্যবিবাহ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এক কিশোরীর বাবাকে এবং অপর কিশোরীর মাকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা এবং তাতিহাটি ইউনিয়নের পুটল গ্রামে পৃথকভাবে ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে ইউএনও মনীষা আহমেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করা হয়।
অভিযান শেষে উভয় কিশোরীর অভিভাবক ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মেয়েদের বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে তারা বাল্যবিবাহ না দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারও করেন।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজন বা উদ্যোগের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদীতে একই দিনে পৃথক দুটি বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা এবং তাতিহাটি ইউনিয়নের পুটল গ্রামে ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোরীর বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে দুই বাল্যবিবাহই বন্ধ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসব ঘটনা ঘটে। বাল্যবিবাহ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে এক কিশোরীর বাবাকে এবং অপর কিশোরীর মাকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খাটিয়াডাঙ্গা এবং তাতিহাটি ইউনিয়নের পুটল গ্রামে পৃথকভাবে ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে ইউএনও মনীষা আহমেদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করা হয়।
অভিযান শেষে উভয় কিশোরীর অভিভাবক ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মেয়েদের বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে তারা বাল্যবিবাহ না দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকারও করেন।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজন বা উদ্যোগের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন