শেরপুরে ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছেন আয়োজকেরা। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদল ও ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেন ছাত্রদল নেতারা। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি, শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম।
বক্তারা বলেন, সম্প্রতি তাঁরা এলাকায় মাদক নির্মূলে সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেন। এর জের ধরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে গৌরীপুর ব্র্যাক অফিসসংলগ্ন এলাকায় ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন মিয়াসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম, শুকুর আলী, সাইফুল ইসলাম, রানা, শফিকুল, বাকুল, খোকন, কুরবান, কাকন, জসিম, সাঈম ও আলী হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদকবিরোধী তৎপরতার জেরেই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জড়িত মূল হোতাসহ অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা। মানববন্ধন থেকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধনে শেরপুর সরকারি কলেজ ও ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুরে ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছেন আয়োজকেরা। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদল ও ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেন ছাত্রদল নেতারা। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান রাব্বি, শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম।
বক্তারা বলেন, সম্প্রতি তাঁরা এলাকায় মাদক নির্মূলে সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেন। এর জের ধরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে গৌরীপুর ব্র্যাক অফিসসংলগ্ন এলাকায় ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন মিয়াসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম, শুকুর আলী, সাইফুল ইসলাম, রানা, শফিকুল, বাকুল, খোকন, কুরবান, কাকন, জসিম, সাঈম ও আলী হোসেনসহ বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মাদকবিরোধী তৎপরতার জেরেই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় জড়িত মূল হোতাসহ অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা। মানববন্ধন থেকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধনে শেরপুর সরকারি কলেজ ও ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন