শেরপুর     বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নালিতাবাড়ীতে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন



প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নালিতাবাড়ীতে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
ছবি : প্রতিনিধি

জাপান প্রবাসী এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ও নিজের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নালিতাবাড়ী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান। 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরশহরে আড়াইআনী বাজারস্থ নিজ কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 


সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান জানান, জাপান প্রবাসী ওই তরুণীকে সহায়তা করার কারনে তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম নামের এক ব্যক্তি। এদিকে, সংবাদ সম্মেলনের সময় জাপান থেকে মুঠোফোনে যুক্ত হয়ে অভিযুক্ত জান্নাতুল নাঈমের বিচার চেয়ে তার দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবী জানান ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী তরুণী।

সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম নামের এক বিবাহিত মুসলিম যুবক ফেসবুকে ‘অন্ত সরকার দ্রুব’ নাম ব্যবহার করে নিজেকে হিন্দু ও অবিবাহিত পরিচয় দেন। এই পরিচয়ে তিনি নোয়াখালীর জাপান প্রবাসী এক হিন্দু তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে ওই তরুণীর কাছ থেকে একটি আইফোন ও বিভিন্ন সময়ে কয়েক দফায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা নেন।

একপর্যায়ে আরও ৫ লাখ টাকা না দিলে বিয়ে করবেন না বলে জানান অভিযুক্ত যুবক জান্নাতুল নাঈম। এতে ওই তরুণীর সন্দেহ হয়। পরে জাপান প্রবাসী নালিতাবাড়ীর আরিফুল ইসলামের মাধ্যমে তার বড় ভাই মিজানুর রহমানের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। নাঈমের এসব প্রতারণার প্রতিকারের আশায় ওই তরুণী তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

মিজানুর রহমান বলেন, ওই তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে জান্নাতুল নাঈমকে নালিতাবাড়ীতে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে নিয়ে একটি সালিসী বৈঠকে বসেন তারা। বৈঠকে জান্নাতুল নাঈম নিজের দোষ স্বীকার করেন। এমনকি তরুণীর কাছ থেকে নেওয়া সব অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরবর্তীতে জান্নাতুল নাঈম টাকা ফেরত না দিয়ে শেরপুর আদালতে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে মিজানুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জান্নাতুল নাঈমের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরপুর আদালতে দায়ের করা মামলার বিবরণীতে জান্নাতুল নাঈম অভিযোগ করেছেন, তাকে মারধর করে তার মোটরসাইকেল, আইফোন ও নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তার ডেবিট কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন শেরপুর আদালত।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নালিতাবাড়ীতে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জাপান প্রবাসী এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ও নিজের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নালিতাবাড়ী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান। 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরশহরে আড়াইআনী বাজারস্থ নিজ কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 


সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান জানান, জাপান প্রবাসী ওই তরুণীকে সহায়তা করার কারনে তার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম নামের এক ব্যক্তি। এদিকে, সংবাদ সম্মেলনের সময় জাপান থেকে মুঠোফোনে যুক্ত হয়ে অভিযুক্ত জান্নাতুল নাঈমের বিচার চেয়ে তার দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবী জানান ভুক্তভোগী ওই প্রবাসী তরুণী।

সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম নামের এক বিবাহিত মুসলিম যুবক ফেসবুকে ‘অন্ত সরকার দ্রুব’ নাম ব্যবহার করে নিজেকে হিন্দু ও অবিবাহিত পরিচয় দেন। এই পরিচয়ে তিনি নোয়াখালীর জাপান প্রবাসী এক হিন্দু তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে ওই তরুণীর কাছ থেকে একটি আইফোন ও বিভিন্ন সময়ে কয়েক দফায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা নেন।

একপর্যায়ে আরও ৫ লাখ টাকা না দিলে বিয়ে করবেন না বলে জানান অভিযুক্ত যুবক জান্নাতুল নাঈম। এতে ওই তরুণীর সন্দেহ হয়। পরে জাপান প্রবাসী নালিতাবাড়ীর আরিফুল ইসলামের মাধ্যমে তার বড় ভাই মিজানুর রহমানের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। নাঈমের এসব প্রতারণার প্রতিকারের আশায় ওই তরুণী তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

মিজানুর রহমান বলেন, ওই তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে জান্নাতুল নাঈমকে নালিতাবাড়ীতে ডেকে আনা হয়। পরে তাকে নিয়ে একটি সালিসী বৈঠকে বসেন তারা। বৈঠকে জান্নাতুল নাঈম নিজের দোষ স্বীকার করেন। এমনকি তরুণীর কাছ থেকে নেওয়া সব অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

পরবর্তীতে জান্নাতুল নাঈম টাকা ফেরত না দিয়ে শেরপুর আদালতে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে মিজানুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জান্নাতুল নাঈমের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরপুর আদালতে দায়ের করা মামলার বিবরণীতে জান্নাতুল নাঈম অভিযোগ করেছেন, তাকে মারধর করে তার মোটরসাইকেল, আইফোন ও নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তার ডেবিট কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন শেরপুর আদালত।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত