শেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনস্বার্থে বুধবার (১৪ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন গণশুনানি গ্রহণ করেন। গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীরা চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা, বাসস্থান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের আবেদন ও অভিযোগ উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সমস্যার ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
গণশুনানিতে মোট ১৮০ জন সেবাপ্রার্থীর মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫১ জনকে আর্থিক সাহায্য, ২ জনকে হুইলচেয়ার, ৫ জনকে ওষুধ, একজন শিশুকে পরিধানের বস্ত্র প্রদান করা হয়েছে।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সহায়তার জন্য ১টি, ঘরের জন্য ৪টি, ভিজিডি কার্ডের জন্য ৩টি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সহায়তা-সংক্রান্ত ১টি, ঢেউটিনের জন্য ৪ টি এবং ভূমিসহ অন্যান্য বিষয়ে ৫টি আবেদন ও অভিযোগ পাওয়া যায়।উত্থাপিত সমস্যাগুলোর যথাযথ সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ এবং উপযোগিতা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জনসাধারণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া, নাগরিক সমস্যা সরাসরি শোনা এবং দ্রুত প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ ধরনের গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনস্বার্থে বুধবার (১৪ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন গণশুনানি গ্রহণ করেন। গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীরা চিকিৎসা সহায়তা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা, বাসস্থান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, ভূমি-সংক্রান্ত সমস্যা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের আবেদন ও অভিযোগ উপস্থাপন করেন। জেলা প্রশাসক সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সমস্যার ধরন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক সহায়তা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
গণশুনানিতে মোট ১৮০ জন সেবাপ্রার্থীর মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৫১ জনকে আর্থিক সাহায্য, ২ জনকে হুইলচেয়ার, ৫ জনকে ওষুধ, একজন শিশুকে পরিধানের বস্ত্র প্রদান করা হয়েছে।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সহায়তার জন্য ১টি, ঘরের জন্য ৪টি, ভিজিডি কার্ডের জন্য ৩টি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সহায়তা-সংক্রান্ত ১টি, ঢেউটিনের জন্য ৪ টি এবং ভূমিসহ অন্যান্য বিষয়ে ৫টি আবেদন ও অভিযোগ পাওয়া যায়।উত্থাপিত সমস্যাগুলোর যথাযথ সমাধান ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ এবং উপযোগিতা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জনসাধারণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া, নাগরিক সমস্যা সরাসরি শোনা এবং দ্রুত প্রতিকারের উদ্যোগ গ্রহণে জেলা প্রশাসন, শেরপুরের এ ধরনের গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন