শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে উদ্ধার নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), শেরপুর। নিহত নারীর নাম মোছা. ঝিনুক আক্তার। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদ নগর এলাকার বাসিন্দা।
নিহত ঝিনুক আক্তারের বাবার নাম মো. শাকিল এবং মায়ের নাম বেবী। তাঁর ঠিকানা এরশাদ নগর, ১৪১ নম্বর বাসা, ব্লক-৪, টঙ্গী পূর্ব, গাজীপুর।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া বাজারের কুটেমনি ব্রিজের নিচে খালের পানিতে পড়ে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, সকালে ব্রিজের নিচে খালের পানিতে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে খবর দেন। গ্রাম পুলিশ ড্রামের ভেতরে নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি উদ্ধার করে এবং ভেতর থেকে মরদেহ বের করে।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে পিবিআই শেরপুর তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে।
এর আগে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছিলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তবে ঝিনুক আক্তারকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, কিংবা তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে উদ্ধার নারীর মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), শেরপুর। নিহত নারীর নাম মোছা. ঝিনুক আক্তার। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদ নগর এলাকার বাসিন্দা।
নিহত ঝিনুক আক্তারের বাবার নাম মো. শাকিল এবং মায়ের নাম বেবী। তাঁর ঠিকানা এরশাদ নগর, ১৪১ নম্বর বাসা, ব্লক-৪, টঙ্গী পূর্ব, গাজীপুর।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া বাজারের কুটেমনি ব্রিজের নিচে খালের পানিতে পড়ে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, সকালে ব্রিজের নিচে খালের পানিতে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে খবর দেন। গ্রাম পুলিশ ড্রামের ভেতরে নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি উদ্ধার করে এবং ভেতর থেকে মরদেহ বের করে।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে পিবিআই শেরপুর তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে।
এর আগে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছিলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তবে ঝিনুক আক্তারকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, কিংবা তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন