কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন—এমন অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে সিপিবি।
সোমবার বিকেল থেকে একদল বিক্ষোভকারী সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা মিছিল নিয়ে কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। বিক্ষোভকারীরা ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’ এবং ‘লীগ ধর, জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভের কারণে পল্টন মোড়সহ আশপাশের সড়কে যানবাহন আটকা পড়ে। এতে পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড় ও গুলিস্তান এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সিপিবির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন এবং তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সিপিবির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
অন্যদিকে, সোমবার রাত ১০টার দিকে কার্যালয়ে হামলার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে সিপিবি।
দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, ‘কতিপয় যুবক আমাদের কার্যালয় মুক্তিভবনে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।’
তিনি জানান, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে সন্ধ্যায় আটক এবং পরে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
হামলাকারীদের অভিযোগ, সিপিবির নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। তবে সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, তাঁদের কার্যালয় থেকে এ ধরনের কোনো স্লোগান দেওয়া হয়নি।
ঘটনার পরপরই পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে সহিংসতা এড়াতে ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং যানজট কমে আসে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মুক্তি ভবনের সামনের সড়কে ব্যারিকেড ও পুলিশি প্রহরা বজায় রাখা হয়।
এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, সিপিবি কার্যালয়ের সামনে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে সেখানে কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন বলেন, ঘটনাটি উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। সিপিবি কার্যালয়ে গোপন রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো কিংবা অন্য কোনো দলের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ধরনের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন—এমন অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় মুক্তিভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে সিপিবি।
সোমবার বিকেল থেকে একদল বিক্ষোভকারী সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় তারা মিছিল নিয়ে কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন। বিক্ষোভকারীরা ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’ এবং ‘লীগ ধর, জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিক্ষোভের কারণে পল্টন মোড়সহ আশপাশের সড়কে যানবাহন আটকা পড়ে। এতে পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড় ও গুলিস্তান এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সিপিবির কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন এবং তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সিপিবির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
অন্যদিকে, সোমবার রাত ১০টার দিকে কার্যালয়ে হামলার জন্য জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছে সিপিবি।
দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, ‘কতিপয় যুবক আমাদের কার্যালয় মুক্তিভবনে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।’
তিনি জানান, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে সন্ধ্যায় আটক এবং পরে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
হামলাকারীদের অভিযোগ, সিপিবির নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। তবে সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, তাঁদের কার্যালয় থেকে এ ধরনের কোনো স্লোগান দেওয়া হয়নি।
ঘটনার পরপরই পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে সহিংসতা এড়াতে ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং যানজট কমে আসে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মুক্তি ভবনের সামনের সড়কে ব্যারিকেড ও পুলিশি প্রহরা বজায় রাখা হয়।
এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, সিপিবি কার্যালয়ের সামনে একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে সেখানে কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন বলেন, ঘটনাটি উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। সিপিবি কার্যালয়ে গোপন রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো কিংবা অন্য কোনো দলের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ধরনের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন