প্রতিষ্ঠার ৪১ বছর পর জামালপুর আইন কলেজে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই ২০২৫-২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে কলেজ ক্যাম্পাসে এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। এরমধ্য দিয়ে ১৯৮৫ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথমবারের মতো এমন একটি অনুষ্ঠান। যেকারণেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করেছিল।
বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের শুরুতেই কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিমের নেতৃত্বে এক আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে শিক্ষকরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। এত বছর পর এমন অনুষ্ঠান দেখে শিক্ষার্থীদের তারা অভিনন্দন জানান। অধ্যক্ষ বলেন, আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলি। তাই চাইলেই অনেক কিছু করতে পারি না। আপনাদের এমন অনুষ্ঠান সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে।
এরপর বাঙালি রেওয়াজ অনুযায়ী সবাই মিলে পান্তা-ইলিশ খেতে মেতে ওঠেন। খাওয়া শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎফুল্ল আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠান শেষে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য গ্রুপ ছবি তুলেন রাখেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠার ৪১ বছর পর জামালপুর আইন কলেজে বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই ২০২৫-২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে কলেজ ক্যাম্পাসে এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। এরমধ্য দিয়ে ১৯৮৫ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথমবারের মতো এমন একটি অনুষ্ঠান। যেকারণেই শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করেছিল।
বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের শুরুতেই কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নূরুল করিমের নেতৃত্বে এক আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে শিক্ষকরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন। এত বছর পর এমন অনুষ্ঠান দেখে শিক্ষার্থীদের তারা অভিনন্দন জানান। অধ্যক্ষ বলেন, আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলি। তাই চাইলেই অনেক কিছু করতে পারি না। আপনাদের এমন অনুষ্ঠান সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে।
এরপর বাঙালি রেওয়াজ অনুযায়ী সবাই মিলে পান্তা-ইলিশ খেতে মেতে ওঠেন। খাওয়া শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎফুল্ল আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। অনুষ্ঠান শেষে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের এই স্মৃতিকে আঁকড়ে ধরে রাখার জন্য গ্রুপ ছবি তুলেন রাখেন শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন