ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফরে বুধবার তেহরান পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের নেতৃত্বের কাছে ওয়াশিংটনের একটি বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়া। ইরানি সংবাদমাধ্যম ও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
তেহরানে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পাকিস্তান প্রতিনিধিদলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তা এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসলামাবাদে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই সফরের মাধ্যমে দ্বিতীয় দফায় আলোচনার পথ প্রশস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই আলোচনার সম্ভাব্য কেন্দ্রস্থল হতে পারে ইসলামাবাদ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনার পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষভাবে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আজকের এই সফরে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বিস্তারিত আলোচনায় বসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো এই যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়া।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফরে বুধবার তেহরান পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের নেতৃত্বের কাছে ওয়াশিংটনের একটি বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়া। ইরানি সংবাদমাধ্যম ও দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
তেহরানে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। পাকিস্তান প্রতিনিধিদলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তা এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইসলামাবাদে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই সফরের মাধ্যমে দ্বিতীয় দফায় আলোচনার পথ প্রশস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই আলোচনার সম্ভাব্য কেন্দ্রস্থল হতে পারে ইসলামাবাদ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনার পর তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষভাবে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আজকের এই সফরে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বিস্তারিত আলোচনায় বসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো এই যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়া।

আপনার মতামত লিখুন