অনুষ্ঠিত হলো দেশের বিনোদন অঙ্গনের অন্যতম প্রতীক্ষিত আয়োজন ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫’ । শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বসে তারকাখচিত এই রঙিন উৎসব। শিল্পী, নির্মাতা এবং তারকাদের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত ও বর্ণিল সন্ধ্যায় রূপ নেয় এই উৎসবের ২৭তম আসর।
এবারে উপস্থাপনায় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। তাদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও বুদ্ধিদীপ্ত সঞ্চালনা পুরো অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
২০২৫ সালে নিজেদের কাজের মাধ্যমে ৮টি জনপ্রিয় ক্যাটাগরিতে ৩২ জন এবং ১২টি ক্রিটিক ক্যাটাগরিতে ৩৬ জন শিল্পী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দর্শকের ভোট এবং জুরিদের মূল্যায়নেই বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হয়।
দর্শক ও জুরিদের মূল্যায়নে এবারের আসরে সেরা অভিনেতার পুরস্কার নিজের করে নিয়েছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পেয়েছেন তমা মির্জা। এছাড়া সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন শাম্মি ইসলাম নীলা।
সন্ধ্যার সবচেয়ে আবেগঘন পর্ব ছিল আজীবন সম্মাননা প্রদান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বরেণ্য অভিনেতা এম. এ. আলমগীরকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। মঞ্চে উপস্থিত থেকে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এই কিংবদন্তি অভিনেতার হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এছাড়াও দেশীয় সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় রকস্টার মাহফুজ আনাম জেমসকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা। তার হাতেও পুরস্কার তুলে দেন অঞ্জন চৌধুরী।
মেরিল যত্ন ও আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। প্রতি বছর জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’-র সঙ্গে যৌথভাবে এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও সংগীত অঙ্গনের কৃতী শিল্পীদের স্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।
অনুষ্ঠানে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ তার বক্তব্যে বলেন, এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদান নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিল্প ও বিনোদন অঙ্গনের বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কার প্রদান পর্বের পাশাপাশি ছিল নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যা পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই আয়োজনটি আজ দেশের বিনোদন অঙ্গনের একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। মেরিল ও প্রথম আলোর দীর্ঘদিনের এই যৌথ উদ্যোগ দেশীয় সংস্কৃতির ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
অনুষ্ঠিত হলো দেশের বিনোদন অঙ্গনের অন্যতম প্রতীক্ষিত আয়োজন ‘মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৫’ । শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বসে তারকাখচিত এই রঙিন উৎসব। শিল্পী, নির্মাতা এবং তারকাদের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত ও বর্ণিল সন্ধ্যায় রূপ নেয় এই উৎসবের ২৭তম আসর।
এবারে উপস্থাপনায় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। তাদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও বুদ্ধিদীপ্ত সঞ্চালনা পুরো অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
২০২৫ সালে নিজেদের কাজের মাধ্যমে ৮টি জনপ্রিয় ক্যাটাগরিতে ৩২ জন এবং ১২টি ক্রিটিক ক্যাটাগরিতে ৩৬ জন শিল্পী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দর্শকের ভোট এবং জুরিদের মূল্যায়নেই বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হয়।
দর্শক ও জুরিদের মূল্যায়নে এবারের আসরে সেরা অভিনেতার পুরস্কার নিজের করে নিয়েছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে সেরা অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পেয়েছেন তমা মির্জা। এছাড়া সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন শাম্মি ইসলাম নীলা।
সন্ধ্যার সবচেয়ে আবেগঘন পর্ব ছিল আজীবন সম্মাননা প্রদান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বরেণ্য অভিনেতা এম. এ. আলমগীরকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। মঞ্চে উপস্থিত থেকে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এই কিংবদন্তি অভিনেতার হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এছাড়াও দেশীয় সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় রকস্টার মাহফুজ আনাম জেমসকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা। তার হাতেও পুরস্কার তুলে দেন অঞ্জন চৌধুরী।
মেরিল যত্ন ও আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত একটি ব্র্যান্ড। প্রতি বছর জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’-র সঙ্গে যৌথভাবে এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও সংগীত অঙ্গনের কৃতী শিল্পীদের স্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।
অনুষ্ঠানে স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ তার বক্তব্যে বলেন, এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদান নয়, বরং আমাদের সংস্কৃতি ও সৃজনশীল মানুষদের সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও শিল্প ও বিনোদন অঙ্গনের বিকাশে ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কার প্রদান পর্বের পাশাপাশি ছিল নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যা পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই আয়োজনটি আজ দেশের বিনোদন অঙ্গনের একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। মেরিল ও প্রথম আলোর দীর্ঘদিনের এই যৌথ উদ্যোগ দেশীয় সংস্কৃতির ধারাকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

আপনার মতামত লিখুন