চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী মিলনায়তনে যান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
ডিসি সম্মেলনে গুজব প্রতিরোধ, অপতথ্য বন্ধ করতে ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপনসহ স্থানীয় প্রশাসনকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে ডিসিদের পাঠানো ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হবে। দিকনির্দেশনা থাকবে সরকারের পক্ষ থেকে।
সারাদেশ থেকে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। এর মধ্য থেকে সম্মেলনে আলোচনা হবে ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে– কওমি মাদরাসাকে নীতিমালার আওতায় আনা, প্রতিটি চা বাগানে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি ও এজিপি নিয়োগের প্রস্তাব।
ডিসিরা জেলা পর্যায়ে ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপন, সরকারি মাধ্যমে হজযাত্রী পাঠানোর সংখ্যা ২৫ ভাগ করাসহ কৃষি ও ভূমি সংক্রান্ত প্রস্তাবও দিয়েছেন।
ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা ৩০টি অধিবেশনে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কার্য অধিবেশনে যুক্ত হবেন।
আজ রাত সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন জেলা প্রশাসকরা। আগামীকাল সোমবার (৪ মে) জাতীয় সংসদ চত্বরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ডিসিরা সাক্ষাৎ করবেন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্দেশনা নেবেন ডিসিরা।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী মিলনায়তনে যান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
ডিসি সম্মেলনে গুজব প্রতিরোধ, অপতথ্য বন্ধ করতে ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপনসহ স্থানীয় প্রশাসনকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে ডিসিদের পাঠানো ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হবে। দিকনির্দেশনা থাকবে সরকারের পক্ষ থেকে।
সারাদেশ থেকে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। এর মধ্য থেকে সম্মেলনে আলোচনা হবে ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে– কওমি মাদরাসাকে নীতিমালার আওতায় আনা, প্রতিটি চা বাগানে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি ও এজিপি নিয়োগের প্রস্তাব।
ডিসিরা জেলা পর্যায়ে ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপন, সরকারি মাধ্যমে হজযাত্রী পাঠানোর সংখ্যা ২৫ ভাগ করাসহ কৃষি ও ভূমি সংক্রান্ত প্রস্তাবও দিয়েছেন।
ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা ৩০টি অধিবেশনে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কার্য অধিবেশনে যুক্ত হবেন।
আজ রাত সাড়ে ৮টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন জেলা প্রশাসকরা। আগামীকাল সোমবার (৪ মে) জাতীয় সংসদ চত্বরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ডিসিরা সাক্ষাৎ করবেন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্দেশনা নেবেন ডিসিরা।

আপনার মতামত লিখুন