অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৩ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৩ মে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তাঁর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তবে তদন্তে তাঁর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে তাঁর মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মেলে।
দুদকের তথ্যমতে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৩ মে) শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫–এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৩ মে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তাঁর দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন। তবে তদন্তে তাঁর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে তাঁর মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মেলে।
দুদকের তথ্যমতে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন