ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ডে মাহেদ্র গাড়ী থেকে তেল চুরির ঘটনায় শ্রমিক মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জের ধরে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অভিযোগ উঠেছে- গত ৭ মে ব্রীজ মোড় এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থানরত তারাকান্দা সড়কে চলাচল করা ফজলুর রহমানের মাহেদ্র গাড়ী থেকে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রানা নামের একজনকে দায়ি করা হলেও তর্কবির্তকের এক পর্যায়ে চালককে মারধর করা হয়।
শ্রমিকরা জানায়, এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী কালন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী রাব্বী এবং একাধিক চুরি মামলার আসামি রানার নেতৃত্বে একটি চক্র তের চুরির ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী অভিযোগ তুলে শ্রমিক পরিচয়ে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তারা কেউ শ্রমিক সংগঠনের সদস্য নয়।
স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনের সদস্য কাজী সোহেল জানান, তেল চুরিকে কেন্দ্র রানার পক্ষ হয়ে যুবলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী কালন এবং রাব্বী কয়েক দফা শ্রমিকদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় আমরা প্রশাসনের কাছে তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করছি।
মো: সবুজ মিয়া নামের এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক জানান, ভয় দেখিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য সিএনজি শ্রমিকদের একাধিকবার মারধর করা হয়েছে। এনিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। আমরা এসব ঘটনার বিচার চাই।
তবে রোববার (১০ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়েও যুবলীগ কর্মী কালন এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী রাব্বীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শিবিরুল ইসলামের বক্তব্য জানা যায়নি।
তবে থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, সিএনজি স্ট্যান্ডের ঘটনায় দুইটি অভিযোগ থানায় জমা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ডে মাহেদ্র গাড়ী থেকে তেল চুরির ঘটনায় শ্রমিক মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জের ধরে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
অভিযোগ উঠেছে- গত ৭ মে ব্রীজ মোড় এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থানরত তারাকান্দা সড়কে চলাচল করা ফজলুর রহমানের মাহেদ্র গাড়ী থেকে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রানা নামের একজনকে দায়ি করা হলেও তর্কবির্তকের এক পর্যায়ে চালককে মারধর করা হয়।
শ্রমিকরা জানায়, এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী কালন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী রাব্বী এবং একাধিক চুরি মামলার আসামি রানার নেতৃত্বে একটি চক্র তের চুরির ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী অভিযোগ তুলে শ্রমিক পরিচয়ে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তারা কেউ শ্রমিক সংগঠনের সদস্য নয়।
স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনের সদস্য কাজী সোহেল জানান, তেল চুরিকে কেন্দ্র রানার পক্ষ হয়ে যুবলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী কালন এবং রাব্বী কয়েক দফা শ্রমিকদের মারধর করেছে। এ ঘটনায় আমরা প্রশাসনের কাছে তদন্তপূর্বক বিচার দাবি করছি।
মো: সবুজ মিয়া নামের এক সিএনজি অটোরিক্সা চালক জানান, ভয় দেখিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য সিএনজি শ্রমিকদের একাধিকবার মারধর করা হয়েছে। এনিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। আমরা এসব ঘটনার বিচার চাই।
তবে রোববার (১০ মে) দুপুরে সরেজমিনে গিয়েও যুবলীগ কর্মী কালন এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী রাব্বীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শিবিরুল ইসলামের বক্তব্য জানা যায়নি।
তবে থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, সিএনজি স্ট্যান্ডের ঘটনায় দুইটি অভিযোগ থানায় জমা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন