শেরপুরে এ বছর কোরবানির জন্য ৯১ হাজার ৭৩৮টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে গরু ও মহিষ ৬০ হাজার ৩২৭ টি এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৩১ হাজার ৪১১ টি। জেলার চাহিদা রয়েছে ৬৩ হাজার ৭৪০টি পশুর। প্রস্তুত করা এসব পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে বাইরের হাট বাজারগুলোতে বিক্রি হবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি উপজেলার ছোট-বড় ১৩ হাজার ৭৩১ জন খামারি রয়েছেন। অনেক পরিবারও গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া শেরপুরের সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার গরু পালন হচ্ছে। এসব গরু পালনের পেছনে প্রায় ২ হাজার পরিবার জড়িত। পাহাড়ি এলাকার গরুগুলো সবচেয়ে নিরাপদ। কারণ মালিক ও খামারিরা গরু মোটাতাজা করতে ওষুধ ব্যবহার করেন না। ফলে পাহাড়ি গরুর চাহিদা বেশি। অনেক পাইকার ইতোমধ্যে পাহাড়ি এলাকা থেকে এসব গরু কিনে নিয়ে গেছেন। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারাও পাহাড়ি এলাকার গরু কিনতে বেশি আগ্রহী।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুল হক ভুঁইয়া জানান, জেলার ২৪ টি অনুমোদিত হাটে থাকবে ভেটেনারি মেডিকেল টিম। হেলথ সার্টিফিকেট যাচাই ও দ্রুত সেবা প্রদানে চালু রয়েছে হট লাইন ও কন্ট্রোল রুম । রাখা হয়েছে অনলাইন হাট ব্যবস্থার বিকল্প। পশু বিক্রিতে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রাণিসম্পদ অফিসে ডিজিটাল তথ্য সহায়তা ডেস্ক চালু করা হয়েছে । জনসচেতনতামূলক প্রচারপত্র,ব্যানার, মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে । জনগণ যাতে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদভাবে কোরবানি সম্পন্ন করতে পারে সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
শেরপুরে এ বছর কোরবানির জন্য ৯১ হাজার ৭৩৮টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে গরু ও মহিষ ৬০ হাজার ৩২৭ টি এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৩১ হাজার ৪১১ টি। জেলার চাহিদা রয়েছে ৬৩ হাজার ৭৪০টি পশুর। প্রস্তুত করা এসব পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে বাইরের হাট বাজারগুলোতে বিক্রি হবে।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি উপজেলার ছোট-বড় ১৩ হাজার ৭৩১ জন খামারি রয়েছেন। অনেক পরিবারও গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া শেরপুরের সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার গরু পালন হচ্ছে। এসব গরু পালনের পেছনে প্রায় ২ হাজার পরিবার জড়িত। পাহাড়ি এলাকার গরুগুলো সবচেয়ে নিরাপদ। কারণ মালিক ও খামারিরা গরু মোটাতাজা করতে ওষুধ ব্যবহার করেন না। ফলে পাহাড়ি গরুর চাহিদা বেশি। অনেক পাইকার ইতোমধ্যে পাহাড়ি এলাকা থেকে এসব গরু কিনে নিয়ে গেছেন। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারাও পাহাড়ি এলাকার গরু কিনতে বেশি আগ্রহী।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুল হক ভুঁইয়া জানান, জেলার ২৪ টি অনুমোদিত হাটে থাকবে ভেটেনারি মেডিকেল টিম। হেলথ সার্টিফিকেট যাচাই ও দ্রুত সেবা প্রদানে চালু রয়েছে হট লাইন ও কন্ট্রোল রুম । রাখা হয়েছে অনলাইন হাট ব্যবস্থার বিকল্প। পশু বিক্রিতে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রাণিসম্পদ অফিসে ডিজিটাল তথ্য সহায়তা ডেস্ক চালু করা হয়েছে । জনসচেতনতামূলক প্রচারপত্র,ব্যানার, মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে । জনগণ যাতে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদভাবে কোরবানি সম্পন্ন করতে পারে সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন