অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে আটক ১০ বাংলাদেশি যুবককে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার হাতিপাগার সীমান্ত এলাকার নাকুগাঁও ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে বিজিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিজিবি বাদী হয়ে হস্তান্তরকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নালিতাবাড়ী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
বিজিবি’র মামলা সূত্রে জানা যায়, হস্তান্তরকৃতরা সবাই রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন- মোঃ সোবান আলী (২৩), মোঃ আব্দুল মারুফ রহমান (২০), মোঃ আজিজুল ইসলাম (২১), মোঃ আব্দুল আলিম (২৭), মোঃ আলামিন (২৩), শ্রী মধু মুরারী (৩৪), মোঃ আনিকুল ইসলাম (২৫), মোঃ তাজেল আলী (২৫), মোঃ মেসবাহুল (২১) এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৪৯)।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রায় এক বছর আগে তারা কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অজ্ঞাত দালালের সহায়তায় বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে ভারতের ‘কিল্লাপাড়া’ গ্রাম এলাকা থেকে ভারতের ২২ বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করেন। পরবর্তীতে বিএসএফ আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় মাধ্যম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ৫৫ মিনিটের সময় সীমান্ত পিলার নম্বর ১১১৬ সংলগ্ন নাকুগাঁও আইসিপি এলাকায় ভারতের ২২ বিএসএফ-এর কিল্লাপাড়া কোম্পানি কমান্ডার আনুষ্ঠানিকভাবে আটক ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে ময়মনসিংহ বিজিবি’র ৩৯ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হাতিপাগার কোম্পানি কমান্ডারের কাছে হস্তান্তর করেন।
হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে হাতিপাগার কোম্পানির সুবেদার মোঃ ফুল মিয়া সরকার বাদী হয়ে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধ্যাদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১)(গ) ধারায় নালিতাবাড়ী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এদিকে, নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর হাতে আটক ১০ বাংলাদেশি যুবককে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার হাতিপাগার সীমান্ত এলাকার নাকুগাঁও ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেরকে বিজিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিজিবি বাদী হয়ে হস্তান্তরকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নালিতাবাড়ী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
বিজিবি’র মামলা সূত্রে জানা যায়, হস্তান্তরকৃতরা সবাই রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন- মোঃ সোবান আলী (২৩), মোঃ আব্দুল মারুফ রহমান (২০), মোঃ আজিজুল ইসলাম (২১), মোঃ আব্দুল আলিম (২৭), মোঃ আলামিন (২৩), শ্রী মধু মুরারী (৩৪), মোঃ আনিকুল ইসলাম (২৫), মোঃ তাজেল আলী (২৫), মোঃ মেসবাহুল (২১) এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৪৯)।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রায় এক বছর আগে তারা কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অজ্ঞাত দালালের সহায়তায় বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে ভারতের ‘কিল্লাপাড়া’ গ্রাম এলাকা থেকে ভারতের ২২ বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে আটক করেন। পরবর্তীতে বিএসএফ আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় মাধ্যম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ৫৫ মিনিটের সময় সীমান্ত পিলার নম্বর ১১১৬ সংলগ্ন নাকুগাঁও আইসিপি এলাকায় ভারতের ২২ বিএসএফ-এর কিল্লাপাড়া কোম্পানি কমান্ডার আনুষ্ঠানিকভাবে আটক ১০ বাংলাদেশি নাগরিককে ময়মনসিংহ বিজিবি’র ৩৯ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হাতিপাগার কোম্পানি কমান্ডারের কাছে হস্তান্তর করেন।
হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষে হাতিপাগার কোম্পানির সুবেদার মোঃ ফুল মিয়া সরকার বাদী হয়ে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধ্যাদেশ, ১৯৭৩-এর ১১(১)(গ) ধারায় নালিতাবাড়ী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।
এদিকে, নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন