শেরপুর     বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা



উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা
ছবি: প্রতিনিধি

ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির পানিতে শেরপুরের সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ১১ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদী ও নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।


এতে ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধ্যাকুড়া ও হলদিগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত সড়ক, আবাদী জমি ও বসতবাড়ি এবং নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কে পানি প্রবেশ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। তবে বিকেল থেকেই ঢলের পানি কমতে শুরু করায় সীমান্ত সড়ক ও মধুটিলা ইকোপার্ক থেকে পানি নেমে গেছে।

জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো ঝিনাইগাতী বাজার এলাকায় পানি প্রবেশ করেনি। তবে নদীর পানি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহারশি নদীর পশ্চিম তীরের বাঁধের কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে মাটি ভরাট ও সংস্কার না করায় বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বাঁধ উপচে কিংবা ভেঙে বাজারসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। স্থানীয়রা দ্রুত বাঁধ সংস্কার ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশে মাটি ভরাটের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে বিকেলের দিকে নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

আর বৃহস্পতিবার দুপুরে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় মধুটিলা ইকোপার্কের গেইট প্লাবিত হয়। সেইসাথে প্লাবিত হয় আশপাশের নিম্নাঞ্চল। পরে বিকেল থেকে পানি নামতে শুরু করায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬

featured Image

ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির পানিতে শেরপুরের সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ১১ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদী ও নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।


এতে ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধ্যাকুড়া ও হলদিগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত সড়ক, আবাদী জমি ও বসতবাড়ি এবং নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কে পানি প্রবেশ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। তবে বিকেল থেকেই ঢলের পানি কমতে শুরু করায় সীমান্ত সড়ক ও মধুটিলা ইকোপার্ক থেকে পানি নেমে গেছে।

জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো ঝিনাইগাতী বাজার এলাকায় পানি প্রবেশ করেনি। তবে নদীর পানি দ্রুত সময়ের মধ্যেই বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মহারশি নদীর পশ্চিম তীরের বাঁধের কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে মাটি ভরাট ও সংস্কার না করায় বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বাঁধ উপচে কিংবা ভেঙে বাজারসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। স্থানীয়রা দ্রুত বাঁধ সংস্কার ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশে মাটি ভরাটের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে বিকেলের দিকে নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

আর বৃহস্পতিবার দুপুরে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় মধুটিলা ইকোপার্কের গেইট প্লাবিত হয়। সেইসাথে প্লাবিত হয় আশপাশের নিম্নাঞ্চল। পরে বিকেল থেকে পানি নামতে শুরু করায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত