চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিংহাই প্রদেশের হাইশি প্রিফেকচারে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেইজিং সময় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল দুর্গম উচ্চভূমি এলাকায় এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের পর এলাকাজুড়ে একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটি আফটারশকের মাত্রা প্রায় ৫ ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ শুরু করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন (সিসিটিভি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি প্রত্যন্ত ও পাহাড়ি এলাকায় আঘাত হানায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সম্ভাব্য ক্ষতি এবং অবকাঠামোগত প্রভাব যাচাই করছে।
হাইশি অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এবং সেখানে বেশ কয়েকটি জিংক শোধনাগার ও খনিশিল্পভিত্তিক স্থাপনা রয়েছে। তবে ভূমিকম্পের কারণে খনি কার্যক্রম, শিল্প উৎপাদন বা অন্যান্য অবকাঠামোর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং আফটারশকের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় চিংহাই প্রদেশের হাইশি প্রিফেকচারে ৬.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন নিহত এবং অন্তত চারজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেইজিং সময় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল দুর্গম উচ্চভূমি এলাকায় এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের পর এলাকাজুড়ে একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে একটি আফটারশকের মাত্রা প্রায় ৫ ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ শুরু করে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন (সিসিটিভি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি প্রত্যন্ত ও পাহাড়ি এলাকায় আঘাত হানায় ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সম্ভাব্য ক্ষতি এবং অবকাঠামোগত প্রভাব যাচাই করছে।
হাইশি অঞ্চলটি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এবং সেখানে বেশ কয়েকটি জিংক শোধনাগার ও খনিশিল্পভিত্তিক স্থাপনা রয়েছে। তবে ভূমিকম্পের কারণে খনি কার্যক্রম, শিল্প উৎপাদন বা অন্যান্য অবকাঠামোর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং আফটারশকের ঝুঁকি বিবেচনায় স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন