বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্বকাপের শুরুতেই সমর্থকদের সহিংসতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় টাইমস স্কয়ারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ঘুষাঘুষি ও লাথির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে অনেক পর্যটক ও সাধারণ পথচারী এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের কয়েকটি দল একে অপরের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনার একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ‘ব্রুটঅফিসিয়াল’ নামের একটি অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়, যা পরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জার্সি ও পতাকা পরিহিত একদল সমর্থকের সঙ্গে আলজেরিয়ার রঙে সজ্জিত আরেকটি দলের ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্স ও সেনেগালের কিছু সমর্থকও ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। উচ্চ উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে প্রথমে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও অপমানজনক স্লোগান দেওয়া হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ভিডিও ফুটেজে কয়েকজন পথচারীকে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে দেখা যায়। কিছু মানুষ আবার দুই পক্ষকে আলাদা করার চেষ্টাও করেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ঘটনাটিকে ‘ব্যাপক সংঘর্ষ’ হিসেবে উল্লেখ করে এবং এটিকে ‘বিশ্বকাপের প্রথম নেতিবাচক দৃশ্য’ বলে বর্ণনা করে।
সংঘর্ষের পরপরই নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ কয়েকজনকে আটকও করেছে।
তবে এ পর্যন্ত কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কেও এখনো কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এনওয়াইপিডিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্বকাপের শুরুতেই সমর্থকদের সহিংসতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও জনপ্রিয় টাইমস স্কয়ারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ঘুষাঘুষি ও লাথির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে অনেক পর্যটক ও সাধারণ পথচারী এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের কয়েকটি দল একে অপরের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনার একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ‘ব্রুটঅফিসিয়াল’ নামের একটি অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়, যা পরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জার্সি ও পতাকা পরিহিত একদল সমর্থকের সঙ্গে আলজেরিয়ার রঙে সজ্জিত আরেকটি দলের ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্স ও সেনেগালের কিছু সমর্থকও ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। উচ্চ উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে প্রথমে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও অপমানজনক স্লোগান দেওয়া হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ভিডিও ফুটেজে কয়েকজন পথচারীকে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে দেখা যায়। কিছু মানুষ আবার দুই পক্ষকে আলাদা করার চেষ্টাও করেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ঘটনাটিকে ‘ব্যাপক সংঘর্ষ’ হিসেবে উল্লেখ করে এবং এটিকে ‘বিশ্বকাপের প্রথম নেতিবাচক দৃশ্য’ বলে বর্ণনা করে।
সংঘর্ষের পরপরই নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ কয়েকজনকে আটকও করেছে।
তবে এ পর্যন্ত কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা কতজন আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কেও এখনো কোনো সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এনওয়াইপিডিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

আপনার মতামত লিখুন