বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের সময় আপত্তিকর আচরণ নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন. ডা. জাহেদকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিজ সিদ্ধান্তে ঢাকা ফিরে গেছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে অংশ নেওয়া।
জয়সওয়াল জানান, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে সফরের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে কিছু সময় আটকে রাখার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল। মূলত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় তার নাম থাকায় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে সাময়িকভাবে আটকে রেখেছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের সময় আপত্তিকর আচরণ নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন. ডা. জাহেদকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিজ সিদ্ধান্তে ঢাকা ফিরে গেছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে ভারতে আসেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে অংশ নেওয়া।
জয়সওয়াল জানান, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে সফরের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি নিজ ইচ্ছায় ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি বিমানবন্দরে কিছু সময় আটকে রাখার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল। মূলত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি নজরদারি তালিকায় তার নাম থাকায় অভিবাসন কর্মকর্তারা তাকে সাময়িকভাবে আটকে রেখেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন