শেরপুর     মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

জুমার দিনে মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বরে ঈদের আমেজ



জুমার দিনে মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বরে ঈদের আমেজ
ছবি : প্রতিনিধি

জুমার দিন শুক্রবার এলেই যেন ঈদের আমেজ নেমে আসে শেরপুর জেলা  শহরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর এলাকায় । জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মসজিদ চত্বর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।নামাজের আগে ও পরে মসজিদের সামনের সড়কে সারিবদ্ধভাবে বসেন অস্থায়ী দোকানিরা। তাদের দোকানে থাকে নানা ধরনের বাহারি খাবার- জিলাপি, ছোলা, হালিম, বেলপুলি, মৌসুমি ফল, বিভিন্ন রকমের শরবত, বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। এসব খাবারের স্বাদ নিতে যেমন ভিড় করেন শিশু-কিশোর আর মুসল্লিরা, তেমনি পরিবারের জন্য বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেও অনেককে কেনাকাটা করতে দেখা যায়।

 জুমার নামাজ শেষে কয়েক হাজার মুসল্লি একসঙ্গে বের হলে মুহূর্তেই জমে ওঠে পুরো এলাকা। ছোট-বড় সবার পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদের সামনের সড়ক। কেউ প্রিয় খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। 

স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার তাদের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন তারা। অন্যদিকে পথচারীর কাছেও শুক্রবারের এই প্রাণচঞ্চল পরিবেশ শেরপুরের একটি বিশেষ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। 

শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলার কুমরী মুদিপাড়া থেকে  জুমার নামাজ পড়তে আসা সাংবাদিক উমর ফারুক সেলিম বলেন, আমি সময় পেলেই চেষ্টা করি শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করার। কারণ ঈদের বৃহৎ জামাতের মতো এখানে  জুমার নামাজ বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি এখানে নামাজ আদায় করলে আমার ভেতরে অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করে। সেই সাথে মসজিদ চত্বর ও পাশের সড়কে মুখরোচক খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের পসরা সাজিয়ে নিয়ে বসেন দোকানীরা। জুমার  নামাজর  পর চারদিকে শিশু-কিশোর আর মুসল্লিদের কোলাহল যেন ঈদের আমেজ মনে করিয়ে দেয়।

ধর্মীয় আবহ, মানুষের মিলনমেলা এবং বাহারি খাবারের সমারোহ সব মিলিয়ে প্রতি শুক্রবার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর যেন হয়ে ওঠে উৎসবের শহরে, যেখানে ঈদের আনন্দের ছোঁয়া অনুভব করেন আগত মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


জুমার দিনে মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বরে ঈদের আমেজ

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬

featured Image

জুমার দিন শুক্রবার এলেই যেন ঈদের আমেজ নেমে আসে শেরপুর জেলা  শহরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর এলাকায় । জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মসজিদ চত্বর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।নামাজের আগে ও পরে মসজিদের সামনের সড়কে সারিবদ্ধভাবে বসেন অস্থায়ী দোকানিরা। তাদের দোকানে থাকে নানা ধরনের বাহারি খাবার- জিলাপি, ছোলা, হালিম, বেলপুলি, মৌসুমি ফল, বিভিন্ন রকমের শরবত, বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। এসব খাবারের স্বাদ নিতে যেমন ভিড় করেন শিশু-কিশোর আর মুসল্লিরা, তেমনি পরিবারের জন্য বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেও অনেককে কেনাকাটা করতে দেখা যায়।

 জুমার নামাজ শেষে কয়েক হাজার মুসল্লি একসঙ্গে বের হলে মুহূর্তেই জমে ওঠে পুরো এলাকা। ছোট-বড় সবার পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদের সামনের সড়ক। কেউ প্রিয় খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। 

স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার তাদের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন তারা। অন্যদিকে পথচারীর কাছেও শুক্রবারের এই প্রাণচঞ্চল পরিবেশ শেরপুরের একটি বিশেষ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। 

শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলার কুমরী মুদিপাড়া থেকে  জুমার নামাজ পড়তে আসা সাংবাদিক উমর ফারুক সেলিম বলেন, আমি সময় পেলেই চেষ্টা করি শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করার। কারণ ঈদের বৃহৎ জামাতের মতো এখানে  জুমার নামাজ বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি এখানে নামাজ আদায় করলে আমার ভেতরে অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করে। সেই সাথে মসজিদ চত্বর ও পাশের সড়কে মুখরোচক খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের পসরা সাজিয়ে নিয়ে বসেন দোকানীরা। জুমার  নামাজর  পর চারদিকে শিশু-কিশোর আর মুসল্লিদের কোলাহল যেন ঈদের আমেজ মনে করিয়ে দেয়।

ধর্মীয় আবহ, মানুষের মিলনমেলা এবং বাহারি খাবারের সমারোহ সব মিলিয়ে প্রতি শুক্রবার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর যেন হয়ে ওঠে উৎসবের শহরে, যেখানে ঈদের আনন্দের ছোঁয়া অনুভব করেন আগত মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত