শেরপুর     শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

পাহাড়ি ঢলে নদীগর্ভে বিলীন ১০০ মিটার সড়ক



পাহাড়ি ঢলে নদীগর্ভে বিলীন ১০০ মিটার সড়ক
ছবি: প্রতিনিধি

টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজিরখামার সড়কের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ধ্বসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে সড়কের অবশিষ্ট সরু অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে শুধু ছোট যানবাহন চলাচল করছে। এতে ওই সড়কে যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না হলে পরবর্তী পাহাড়ি ঢলে সড়কটি পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতিও আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।


জানা গেছে, গত বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গোল্লারপাড় এলাকায় শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজিরখামার সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পানির তোড়ে সড়কের একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। দুপুরের দিকে ধ্বস শুরু হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়। রাত থেকে পানি কমতে শুরু করলে শুক্রবার সকালে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে চেল্লাখালী নদীর ভাঙন থেকে সড়কটি রক্ষায় প্রায় ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে প্যালাসাইডিং নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় দফায় সেখানে সিসি ব্লকও স্থাপন করা হয়। তবে চলতি বর্ষার জুন মাসের পাহাড়ি ঢলে ওই অংশের প্যালাসাইডিং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে এবারের ঢলে প্যালাসাইডিংয়ের পাশাপাশি প্রায় ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কের অন্তত ১২ ফুট অংশ ধ্বসে যায়। বর্তমানে মাত্র ৬ থেকে ৭ ফুট প্রশস্ত অংশ দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল করছে, যা যেকোনো সময় ধ্বসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং এলজিইডির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে নদীগর্ভে বিলীন ১০০ মিটার সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজিরখামার সড়কের প্রায় ১০০ মিটার অংশ ধ্বসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে সড়কের অবশিষ্ট সরু অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে শুধু ছোট যানবাহন চলাচল করছে। এতে ওই সড়কে যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না হলে পরবর্তী পাহাড়ি ঢলে সড়কটি পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতিও আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।


জানা গেছে, গত বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গোল্লারপাড় এলাকায় শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজিরখামার সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে পানি প্রবাহিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পানির তোড়ে সড়কের একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। দুপুরের দিকে ধ্বস শুরু হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়। রাত থেকে পানি কমতে শুরু করলে শুক্রবার সকালে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে চেল্লাখালী নদীর ভাঙন থেকে সড়কটি রক্ষায় প্রায় ২০০ মিটার এলাকাজুড়ে প্যালাসাইডিং নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় দফায় সেখানে সিসি ব্লকও স্থাপন করা হয়। তবে চলতি বর্ষার জুন মাসের পাহাড়ি ঢলে ওই অংশের প্যালাসাইডিং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে এবারের ঢলে প্যালাসাইডিংয়ের পাশাপাশি প্রায় ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কের অন্তত ১২ ফুট অংশ ধ্বসে যায়। বর্তমানে মাত্র ৬ থেকে ৭ ফুট প্রশস্ত অংশ দিয়ে ছোট যানবাহন চলাচল করছে, যা যেকোনো সময় ধ্বসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং এলজিইডির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত