শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে এসে ৭ বছর বয়সী মানসুরা পেলেন হুইল চেয়ার। মানসুরা আক্তার এর মা রুনা আক্তার গত ১৫ জুলাই বুধবার তার সাত বছর বয়সের প্রতিবন্ধী শিশু কন্যার জন্য একটি হুইল চেয়ারের দাবি নিয়ে গণশুনানিতে আসেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের কাছে। এ সময় জেলা প্রশাসক তাকে হুইলচেয়ার প্রদানের আশ্বাস দিয়ে ২২ জুলাই বুধবার আসতে বলেন।
সে হিসেবে বুধবার বিকেলে গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন শারীরিক প্রতিবন্ধী সাত বছর বয়সের শিশু কন্যা মানসুরার জন্য একটি হুইলচেয়ার প্রদান করেন।
এ সময় মানসুরার মা রুনা আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাংবাদিক জোবাইদুল ইসলাম ও জাহিদুল খান সৌরভ উপস্থিত ছিলেন।
হুইল চেয়ার পেয়ে মানসুরার মা রুনা আক্তার বলেন, মেয়েটাকে নিয়ে খুব বিপদে ছিলাম তাই গত বুধবার ডিসি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করলে তিনি মেয়েটির জন্য এই হুইল চেয়ার দেয়ার আশ্বাস দেন। আজকে এই হুইল চেয়ারটা পেয়ে খুবই আনন্দিত হয়েছি এবং খুব ভালো লাগছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতি বুধবার জেলা প্রশাসকদের গণশুনানির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহেই এ ধরনের নানা অসহায় মানুষের কথা শুনে এবং চেষ্টা করি সাধ্যমত সহযোগিতা করার। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই ফুটফুটে প্রতিবন্ধী শিশুটির জন্য আমি একটি হুইলচেয়ার প্রদান করি। যাতে করে ওই শিশু কন্যার মায়ের কাজ কর্মে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে এসে ৭ বছর বয়সী মানসুরা পেলেন হুইল চেয়ার। মানসুরা আক্তার এর মা রুনা আক্তার গত ১৫ জুলাই বুধবার তার সাত বছর বয়সের প্রতিবন্ধী শিশু কন্যার জন্য একটি হুইল চেয়ারের দাবি নিয়ে গণশুনানিতে আসেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের কাছে। এ সময় জেলা প্রশাসক তাকে হুইলচেয়ার প্রদানের আশ্বাস দিয়ে ২২ জুলাই বুধবার আসতে বলেন।
সে হিসেবে বুধবার বিকেলে গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন শারীরিক প্রতিবন্ধী সাত বছর বয়সের শিশু কন্যা মানসুরার জন্য একটি হুইলচেয়ার প্রদান করেন।
এ সময় মানসুরার মা রুনা আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম কমল, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাংবাদিক জোবাইদুল ইসলাম ও জাহিদুল খান সৌরভ উপস্থিত ছিলেন।
হুইল চেয়ার পেয়ে মানসুরার মা রুনা আক্তার বলেন, মেয়েটাকে নিয়ে খুব বিপদে ছিলাম তাই গত বুধবার ডিসি ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করলে তিনি মেয়েটির জন্য এই হুইল চেয়ার দেয়ার আশ্বাস দেন। আজকে এই হুইল চেয়ারটা পেয়ে খুবই আনন্দিত হয়েছি এবং খুব ভালো লাগছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতি বুধবার জেলা প্রশাসকদের গণশুনানির অংশ হিসেবে প্রতি সপ্তাহেই এ ধরনের নানা অসহায় মানুষের কথা শুনে এবং চেষ্টা করি সাধ্যমত সহযোগিতা করার। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এই ফুটফুটে প্রতিবন্ধী শিশুটির জন্য আমি একটি হুইলচেয়ার প্রদান করি। যাতে করে ওই শিশু কন্যার মায়ের কাজ কর্মে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসে।

আপনার মতামত লিখুন