শেরপুরের প্রবীণ ও কিংবদন্তি আইনজীবী অ্যাডভোকেট নারায়ণ চন্দ্র হোড় (৭৮) আর নেই। তিনি ৪ আগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগ ও লিভারসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। ওই অবস্থায় গত ৯ জুলাই গুরুতর অবস্থায় ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। সর্বশেষ টানা ৪দিন যাবত তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত নারায়ণ চন্দ্র হোড়ের অগ্রজ, সিনিয়র আইনজীবী নিতাই লাল হোড়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জেলা রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি সঞ্চিতা হোড় দীপু ও একমাত্র পুত্র বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. লক্ষ্মণ চন্দ্র হোড় বাবন ও দুই কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছরের আইন পেশায় তিনি একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠিত আইনজীবী ও আইনজীবীদের পরিপূর্ণ অভিভাবকে পরিণত হয়েছিলেন। সেই সুবাদে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির ৮ দফা সাধারণ সম্পাদক ও ১ দফা সভাপতি ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। পরিচ্ছন্ন ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন আইনজীবী সমিতি, চেম্বার অব কমার্স, জেলা চালকল সমিতি ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে বিভিন্ন মহল তাকে শেরপুরের কিংবদন্তি আইনজীবী হিসেবেই বিবেচনা করতেন।
এদিকে তার মৃত্যুর সংবাদ শেরপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদের পাশাপাশি আইনজীবী সমাজ ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করে রাতেই তার মরদেহ শেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। শহরের বটতলা কালিরবাজারস্থ বাসায় কিছুক্ষণ রাখার পর তার মরদেহ রাত আড়াইটায় স্থানীয় শেরী পৌর শ্মশানে দাহ করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
শেরপুরের প্রবীণ ও কিংবদন্তি আইনজীবী অ্যাডভোকেট নারায়ণ চন্দ্র হোড় (৭৮) আর নেই। তিনি ৪ আগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডির ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগ ও লিভারসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। ওই অবস্থায় গত ৯ জুলাই গুরুতর অবস্থায় ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। সর্বশেষ টানা ৪দিন যাবত তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত নারায়ণ চন্দ্র হোড়ের অগ্রজ, সিনিয়র আইনজীবী নিতাই লাল হোড়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী জেলা রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি সঞ্চিতা হোড় দীপু ও একমাত্র পুত্র বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. লক্ষ্মণ চন্দ্র হোড় বাবন ও দুই কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছরের আইন পেশায় তিনি একজন লব্ধপ্রতিষ্ঠিত আইনজীবী ও আইনজীবীদের পরিপূর্ণ অভিভাবকে পরিণত হয়েছিলেন। সেই সুবাদে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির ৮ দফা সাধারণ সম্পাদক ও ১ দফা সভাপতি ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। পরিচ্ছন্ন ও নীতিবান ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন আইনজীবী সমিতি, চেম্বার অব কমার্স, জেলা চালকল সমিতি ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে বিভিন্ন মহল তাকে শেরপুরের কিংবদন্তি আইনজীবী হিসেবেই বিবেচনা করতেন।
এদিকে তার মৃত্যুর সংবাদ শেরপুর শহরে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদের পাশাপাশি আইনজীবী সমাজ ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করে রাতেই তার মরদেহ শেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। শহরের বটতলা কালিরবাজারস্থ বাসায় কিছুক্ষণ রাখার পর তার মরদেহ রাত আড়াইটায় স্থানীয় শেরী পৌর শ্মশানে দাহ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন