শেরপুর     মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মদ্যপান, স্ত্রী নির্যাতন, যৌতুক ও পরকীয়ার অভিযোগ



পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মদ্যপান, স্ত্রী নির্যাতন, যৌতুক ও পরকীয়ার অভিযোগ
ছবি : প্রতিনিধি

শেরপুরে স্ত্রী-সন্তানের ন্যায্য অধিকার দাবিতে ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্য মো. উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে মদ্যপান, শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন, যৌতুক ও পরকীয়ার অভিযোগ তুলেন স্ত্রী রহিমা। 

শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন স্ত্রী রহিমা বেগম। রহিমা সদর উপজেলার চকরামপুর গ্রামের মৃত রহুল আমিনের মেয়ে। আর পুলিশ কনস্টেবল উজ্জল পার্শ্ববর্তী ধলাকান্দা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে রহিমা বেগম জানান, রহিমাকে বিয়ের করার শর্তে উজ্জল মিয়াকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে দেন সেসময়কার হুইপ আতিউর রহমান আতিক। ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়। বিয়ের পর থেকেই রহিমাকে গরিব-অসহায় বলে নানা সময়ে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। তার চেহারা ভালো না বলেও কটাক্ষ করেছে। এক পর্যায়ে উজ্জল মিয়া পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে ও তাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দেয় এবং ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগও করেন তিনি। তার শিশুসন্তান সিয়ামের দিকে তাকিয়ে সবকিছু সহ্য করে তিনি সংসার করে আসছিলেন।

তবে কিছুদিন আগে তার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন রহিমাকে নির্যাতন করে সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে তাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে উজ্জল মিয়া তাকে এক তরফা তালাক দেয়। এসব ঘটনায় রহিমা বেগম ডিএমপির ডিসিপ্লিন বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগামী ৮ আগস্ট বাদী-বিবাদী উভয়কেই ডিএমপি কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপির সাপোর্ট এন্ড লজিস্টিকস বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম বিপিএম-সেবা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কনস্টেবল উজ্জল মিয়া সেসব অস্বীকার করে বলেন, রহিমা বেগমের অভিযোগ মিথ্যা। সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে আর আসতে চায়নি। সাংসারিক নানা কারণেই তাকে তালাক দিয়েছি। বিয়ের বিনিময়ে চাকরির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে শেরপুর আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী রহিমা।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মদ্যপান, স্ত্রী নির্যাতন, যৌতুক ও পরকীয়ার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেরপুরে স্ত্রী-সন্তানের ন্যায্য অধিকার দাবিতে ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশ সদস্য মো. উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উজ্জল মিয়ার বিরুদ্ধে মদ্যপান, শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন, যৌতুক ও পরকীয়ার অভিযোগ তুলেন স্ত্রী রহিমা। 

শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন স্ত্রী রহিমা বেগম। রহিমা সদর উপজেলার চকরামপুর গ্রামের মৃত রহুল আমিনের মেয়ে। আর পুলিশ কনস্টেবল উজ্জল পার্শ্ববর্তী ধলাকান্দা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে রহিমা বেগম জানান, রহিমাকে বিয়ের করার শর্তে উজ্জল মিয়াকে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে দেন সেসময়কার হুইপ আতিউর রহমান আতিক। ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়। বিয়ের পর থেকেই রহিমাকে গরিব-অসহায় বলে নানা সময়ে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। তার চেহারা ভালো না বলেও কটাক্ষ করেছে। এক পর্যায়ে উজ্জল মিয়া পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে ও তাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দেয় এবং ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। উজ্জ্বল মিয়ার বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগও করেন তিনি। তার শিশুসন্তান সিয়ামের দিকে তাকিয়ে সবকিছু সহ্য করে তিনি সংসার করে আসছিলেন।

তবে কিছুদিন আগে তার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন রহিমাকে নির্যাতন করে সাদা স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়ে তাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে উজ্জল মিয়া তাকে এক তরফা তালাক দেয়। এসব ঘটনায় রহিমা বেগম ডিএমপির ডিসিপ্লিন বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগামী ৮ আগস্ট বাদী-বিবাদী উভয়কেই ডিএমপি কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপির সাপোর্ট এন্ড লজিস্টিকস বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম বিপিএম-সেবা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কনস্টেবল উজ্জল মিয়া সেসব অস্বীকার করে বলেন, রহিমা বেগমের অভিযোগ মিথ্যা। সে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে আর আসতে চায়নি। সাংসারিক নানা কারণেই তাকে তালাক দিয়েছি। বিয়ের বিনিময়ে চাকরির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে শেরপুর আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী রহিমা।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত