যেখানে একসময় বোরো আবাদ নিয়েই ছিল অনিশ্চয়তা, সেখানে সবুজে ভরে উঠছে মাঠ রোপণ করা হচ্ছে আমন ধানের চারা। একটি খাল পুনঃখননের ফলে বদলে যেতে শুরু করেছে শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার কৃষকের ভাগ্যের চাকা।
বুরুডুবি খাল পুনঃখননের ফলে পাঠাকাটা ইউনিয়নের নামা কৈয়াকুড়ি, দুধেরচর, বারারচর, গোয়ালের কান্দা, মোজাকান্দা, পলাশকান্দিসহ অন্তত ১০টি গ্রামের ১ হাজার একর জমি নতুন করে ফসল চাষের আওতায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচসংকট কাটিয়ে এসব জমিতে এখন দেখা দিয়েছে চাষাবাদের নতুন সম্ভাবনা। খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকের মুখে ফিরছে স্বস্তি, আর অনাবাদি জমি পরিণত হচ্ছে সম্ভাবনাময় কৃষিজমিতে।
তথ্যমতে, নকলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের বাস্তবায়নে ও শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বুরুড়ুবি কামরুলের বাড়ির সামনে থেকে গোদাডাঙ্গা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৪৮৮ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়। এতে বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে।
খননকাজে প্রতিদিন প্রায় ২১৬ জন শ্রমিক প্রায় এক মাস কাজ করেছেন। এতে একদিকে অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের ভরাট খাল পুনঃখননের ফলে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে প্রকল্প সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা প্রশংসায় ভাসছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, ‘এই খালটি খননের ফলে অনেক জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। বিভিন্ন খাতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং অব্যয়িত ৭৮ লাখ ২০ হাজার ৫৩২ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে খালটি খনন করা হয়েছে। সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আমরা ৭৮ লাখ টাকার ওপরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছি। এই খালটি খননের ফলে স্থানীয় কৃষকেরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছেন।'

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
যেখানে একসময় বোরো আবাদ নিয়েই ছিল অনিশ্চয়তা, সেখানে সবুজে ভরে উঠছে মাঠ রোপণ করা হচ্ছে আমন ধানের চারা। একটি খাল পুনঃখননের ফলে বদলে যেতে শুরু করেছে শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার কৃষকের ভাগ্যের চাকা।
বুরুডুবি খাল পুনঃখননের ফলে পাঠাকাটা ইউনিয়নের নামা কৈয়াকুড়ি, দুধেরচর, বারারচর, গোয়ালের কান্দা, মোজাকান্দা, পলাশকান্দিসহ অন্তত ১০টি গ্রামের ১ হাজার একর জমি নতুন করে ফসল চাষের আওতায় আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচসংকট কাটিয়ে এসব জমিতে এখন দেখা দিয়েছে চাষাবাদের নতুন সম্ভাবনা। খালের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকের মুখে ফিরছে স্বস্তি, আর অনাবাদি জমি পরিণত হচ্ছে সম্ভাবনাময় কৃষিজমিতে।
তথ্যমতে, নকলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের বাস্তবায়নে ও শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বুরুড়ুবি কামরুলের বাড়ির সামনে থেকে গোদাডাঙ্গা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৪৮৮ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়। এতে বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। প্রকল্পের আওতায় খালের দুই পাশে প্রায় ২ হাজার ৪০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে।
খননকাজে প্রতিদিন প্রায় ২১৬ জন শ্রমিক প্রায় এক মাস কাজ করেছেন। এতে একদিকে অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের ভরাট খাল পুনঃখননের ফলে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে প্রকল্প সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা প্রশংসায় ভাসছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, ‘এই খালটি খননের ফলে অনেক জনদুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। বিভিন্ন খাতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং অব্যয়িত ৭৮ লাখ ২০ হাজার ৫৩২ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে খালটি খনন করা হয়েছে। সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আমরা ৭৮ লাখ টাকার ওপরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছি। এই খালটি খননের ফলে স্থানীয় কৃষকেরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছেন।'

আপনার মতামত লিখুন