শেরপুরের নকলায় দেশীয় মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে ১৩টি জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ চত্বরে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তর, নকলার উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এদিন উপজেলার ৬টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও ৭টি উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩২৩ কেজি রুই, কাতলা ও মৃগেল প্রজাতির পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার তাবাসসুম মকবুলা দিশা, উপজেলা দ্রারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, সমাজ সেবক আব্দুল্লাহ চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিবছর এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। পোনামাছ অবমুক্তের ফলে জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুরের নকলায় দেশীয় মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে ১৩টি জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ চত্বরে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তর, নকলার উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এদিন উপজেলার ৬টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও ৭টি উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩২৩ কেজি রুই, কাতলা ও মৃগেল প্রজাতির পোনা অবমুক্ত করা হয়।
এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার তাবাসসুম মকবুলা দিশা, উপজেলা দ্রারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, সমাজ সেবক আব্দুল্লাহ চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিবছর এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। পোনামাছ অবমুক্তের ফলে জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন