শেরপুর সদর উপজেলায় সাপের দংশনে শাহিন নামে এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শাহিনের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট রাত সাড়ে আটটায় সদর উপজেলার চর মোচারিয়া ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের ভূমিহীন কৃষক মোঃ শফিকুল আকন্দের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহিন আকন্দকে (২০) সাপ দংশন করলে তাৎক্ষণিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির কিছুক্ষণ পর শাহীনের মৃত্যু হয়। এ সময় শাহিনের পরিবার ডাক্তারের গাফলিতির অভিযোগ তুলেন এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিগোচর হলে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তাও দ্রুত শাহিনের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শাহিনের পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসনের এই মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
শেরপুর সদর উপজেলায় সাপের দংশনে শাহিন নামে এক মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শাহিনের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট রাত সাড়ে আটটায় সদর উপজেলার চর মোচারিয়া ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের ভূমিহীন কৃষক মোঃ শফিকুল আকন্দের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহিন আকন্দকে (২০) সাপ দংশন করলে তাৎক্ষণিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির কিছুক্ষণ পর শাহীনের মৃত্যু হয়। এ সময় শাহিনের পরিবার ডাক্তারের গাফলিতির অভিযোগ তুলেন এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টিগোচর হলে নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আর্থিক সহায়তাও দ্রুত শাহিনের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শাহিনের পরিবারের সদস্যরা জেলা প্রশাসনের এই মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন