শেরপুর     সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

নকলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেঞ্চের ঠাঁই গোয়ালঘরে! জানেন না প্রধান শিক্ষক!



নকলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেঞ্চের ঠাঁই গোয়ালঘরে! জানেন না প্রধান শিক্ষক!
ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলা উপজেলার খিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের তিনটি লোহার বেঞ্চ পাশের একটি বাড়ির গোয়ালঘরে পাওয়াকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র কীভাবে স্কুলের বাইরে গেল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আলোচনা।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পাশের আবু মিয়ার বাড়ির গোয়ালঘরে লাকড়ির নিচে তিনটি লোহার বেঞ্চ রাখা রয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বেঞ্চগুলো উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।


ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নাহিদুল ইসলাম রিজন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরাকে স্কুলের কোনো আসবাবপত্র বাইরে আছে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের কোনো আসবাবপত্র বাইরে নেই। পরে প্রধান শিক্ষকসহ স্থানীয়দের নিয়ে পাশের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে লাকড়ির নিচে রাখা তিনটি লোহার বেঞ্চ উদ্ধার করা হয়।

নাহিদুল ইসলাম রিজনের দাবি, বেঞ্চগুলো লোহার হওয়ায় এগুলোর আর্থিক মূল্য রয়েছে। এগুলো কীভাবে বিদ্যালয়ের বাইরে গেল এবং বিক্রি করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তবে আবু মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক হীরা তাদের বেঞ্চগুলো দিয়েছেন এবং বিষয়টি তাকে জানিয়েই বেঞ্চগুলো বাড়িতে নেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরা বলেন, “আমি জানতাম না সেগুলো আমাদের স্কুলের বেঞ্চ। আমি কাউকে দেইনি এবং নেওয়ার অনুমতিও দেইনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।”

নকলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম রব্বানী বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের পুরোনো বেঞ্চ বিক্রি করে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে বেঞ্চগুলো কীভাবে বিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে পাশের বাড়ির গোয়ালঘরে পৌঁছাল এবং সেগুলো কাউকে দেওয়া বা বিক্রি করা হয়েছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


নকলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেঞ্চের ঠাঁই গোয়ালঘরে! জানেন না প্রধান শিক্ষক!

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেরপুরের নকলা উপজেলার খিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের তিনটি লোহার বেঞ্চ পাশের একটি বাড়ির গোয়ালঘরে পাওয়াকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র কীভাবে স্কুলের বাইরে গেল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে আলোচনা।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পাশের আবু মিয়ার বাড়ির গোয়ালঘরে লাকড়ির নিচে তিনটি লোহার বেঞ্চ রাখা রয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বেঞ্চগুলো উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।


ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নাহিদুল ইসলাম রিজন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরাকে স্কুলের কোনো আসবাবপত্র বাইরে আছে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়ের কোনো আসবাবপত্র বাইরে নেই। পরে প্রধান শিক্ষকসহ স্থানীয়দের নিয়ে পাশের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে লাকড়ির নিচে রাখা তিনটি লোহার বেঞ্চ উদ্ধার করা হয়।

নাহিদুল ইসলাম রিজনের দাবি, বেঞ্চগুলো লোহার হওয়ায় এগুলোর আর্থিক মূল্য রয়েছে। এগুলো কীভাবে বিদ্যালয়ের বাইরে গেল এবং বিক্রি করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তবে আবু মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক হীরা তাদের বেঞ্চগুলো দিয়েছেন এবং বিষয়টি তাকে জানিয়েই বেঞ্চগুলো বাড়িতে নেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হীরা বলেন, “আমি জানতাম না সেগুলো আমাদের স্কুলের বেঞ্চ। আমি কাউকে দেইনি এবং নেওয়ার অনুমতিও দেইনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।”

নকলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম রব্বানী বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের পুরোনো বেঞ্চ বিক্রি করে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে বেঞ্চগুলো কীভাবে বিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে পাশের বাড়ির গোয়ালঘরে পৌঁছাল এবং সেগুলো কাউকে দেওয়া বা বিক্রি করা হয়েছিল কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত