শেরপুর     মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক প্রতারণা মামলায় ইদ্রিস গ্রুপের সাবেক কর্মকর্তার কারাদণ্ড



শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক প্রতারণা মামলায় ইদ্রিস গ্রুপের সাবেক কর্মকর্তার কারাদণ্ড
ছবি : প্রতিনিধি

শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক প্রতারণার মামলায় ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আব্দুল কাদেরকে (৬৩) এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে চেকে উল্লেখিত ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় অর্থ মামলার বাদী গ্রহণ করবেন। ৩০ আগস্ট রবিবার শেরপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ- ১ম আদালতের বিচারক মোরশেদুল আলম আসামির উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানামূলে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদের নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে মো. আব্দুল কাদের। তবে আসামি দীর্ঘদিন যাবত শহরের গৃর্দানারায়ণপুর মহল্লায় বসবাস করছিলেন। 


রায়ের বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এএইচএম আমিনুল ইসলাম হেলাল জানান, সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল কাদের স্বনামধন্য বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের এর ডিএমডি ছিলেন। ওই দায়িত্বে থাকাকালীন সময় তিনি ২০১৮ সালের প্রথম দিকে কোম্পানির কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা গ্রহণের পর নানা তালবাহানা করছিলেন। এক পর্যায়ে একই বছরের ৭ এপ্রিল ওই পাওনা টাকার বিপরীতে তিনি তার নিজ নামীয় পূবালী ব্যাংক শেরপুর শাখার হিসাবের অনুকূলে কোম্পানির নামে ৫০ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু তার একাউন্টে স্থিতির পরিমাণ পর্যাপ্ত না থাকায় ১৯ এপ্রিল চেকটি প্রত্যাখান করা হয়। পরে ২৪ এপ্রিল এক মাসের সময়সীমায় টাকা পরিশোধের জন্য তাকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি তা পরিশোধ না করায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে শেরপুরের সিআর আমলী আদালতে চেক প্রতারণার অভিযোগে কোম্পানির পক্ষে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেন বর্তমান ডিএমডি মো. মোতাসিম বিল্লাহ আরিফ। ওই মামলায় আসামি আব্দুল কাদের আদালতে হাজির হয়ে জামিনে গিয়ে দফায় দফায় উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ফলে দীর্ঘ কয়েক বছর উচ্চ আদালতের আদেশে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকে। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় বাদীপক্ষে গৃহিত ৩ জন ও আসামিপক্ষে গৃহিত ২ জন সাফাই সাক্ষীর আলোকে ৩০ আগস্ট রবিবার যুক্তিতর্ক শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। 

বাদীপক্ষে ওই মামলাটি পরিচালনা করেন কোম্পানির উপদেষ্টা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার ও অ্যাডভোকেট এমকে মুরাদুজ্জামান, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এএইচএম আমিনুল ইসলাম হেলাল ও অ্যাডভোকেট মো. আরিফুল ইসলাম।

আর আসামিপক্ষে ওই মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক প্রতারণা মামলায় ইদ্রিস গ্রুপের সাবেক কর্মকর্তার কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক প্রতারণার মামলায় ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আব্দুল কাদেরকে (৬৩) এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে চেকে উল্লেখিত ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় অর্থ মামলার বাদী গ্রহণ করবেন। ৩০ আগস্ট রবিবার শেরপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ- ১ম আদালতের বিচারক মোরশেদুল আলম আসামির উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানামূলে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল কাদের নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে মো. আব্দুল কাদের। তবে আসামি দীর্ঘদিন যাবত শহরের গৃর্দানারায়ণপুর মহল্লায় বসবাস করছিলেন। 


রায়ের বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এএইচএম আমিনুল ইসলাম হেলাল জানান, সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল কাদের স্বনামধন্য বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান ইদ্রিস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের এর ডিএমডি ছিলেন। ওই দায়িত্বে থাকাকালীন সময় তিনি ২০১৮ সালের প্রথম দিকে কোম্পানির কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা গ্রহণের পর নানা তালবাহানা করছিলেন। এক পর্যায়ে একই বছরের ৭ এপ্রিল ওই পাওনা টাকার বিপরীতে তিনি তার নিজ নামীয় পূবালী ব্যাংক শেরপুর শাখার হিসাবের অনুকূলে কোম্পানির নামে ৫০ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। কিন্তু তার একাউন্টে স্থিতির পরিমাণ পর্যাপ্ত না থাকায় ১৯ এপ্রিল চেকটি প্রত্যাখান করা হয়। পরে ২৪ এপ্রিল এক মাসের সময়সীমায় টাকা পরিশোধের জন্য তাকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি তা পরিশোধ না করায় পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে শেরপুরের সিআর আমলী আদালতে চেক প্রতারণার অভিযোগে কোম্পানির পক্ষে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেন বর্তমান ডিএমডি মো. মোতাসিম বিল্লাহ আরিফ। ওই মামলায় আসামি আব্দুল কাদের আদালতে হাজির হয়ে জামিনে গিয়ে দফায় দফায় উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ফলে দীর্ঘ কয়েক বছর উচ্চ আদালতের আদেশে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকে। সম্প্রতি উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় বাদীপক্ষে গৃহিত ৩ জন ও আসামিপক্ষে গৃহিত ২ জন সাফাই সাক্ষীর আলোকে ৩০ আগস্ট রবিবার যুক্তিতর্ক শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে। 

বাদীপক্ষে ওই মামলাটি পরিচালনা করেন কোম্পানির উপদেষ্টা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার ও অ্যাডভোকেট এমকে মুরাদুজ্জামান, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এএইচএম আমিনুল ইসলাম হেলাল ও অ্যাডভোকেট মো. আরিফুল ইসলাম।

আর আসামিপক্ষে ওই মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত