ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে শেরপুরের ৫ উপজেলায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২৪ অক্টোবর শনিবার জেলার ২৬৬টি স্থানে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেন ৩ হাজার ২৫ জন।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আওতায় জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার, শপিংপ্লেস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলায় ৬১টি স্থানে ২২২ জন, নকলা উপজেলায় ৭৪টি স্থানে ১ হাজার ৪৭৫ জন, শ্রীবরদী উপজেলায় ৫৯টি স্থানে ৯৯৫ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩৫টি স্থানে ১৬৭ জন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩৭টি স্থানে ১৬৬ জন এ অভিযানে অংশ নেন।
জেলা শহরে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া অন্যান্য উপজেলায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অভিযানকালে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম চালানো হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বাড়ির আঙিনা, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বংশবিস্তার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে শেরপুরের ৫ উপজেলায় একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২৪ অক্টোবর শনিবার জেলার ২৬৬টি স্থানে পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেন ৩ হাজার ২৫ জন।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এর আওতায় জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার, শপিংপ্লেস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলায় ৬১টি স্থানে ২২২ জন, নকলা উপজেলায় ৭৪টি স্থানে ১ হাজার ৪৭৫ জন, শ্রীবরদী উপজেলায় ৫৯টি স্থানে ৯৯৫ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩৫টি স্থানে ১৬৭ জন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩৭টি স্থানে ১৬৬ জন এ অভিযানে অংশ নেন।
জেলা শহরে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া অন্যান্য উপজেলায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অভিযানকালে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম চালানো হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বাড়ির আঙিনা, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও মশার বংশবিস্তার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন