কেউ এসেছেন চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে, কেউ আর্থিক সংকটে পড়ে। কারও প্রয়োজন হুইলচেয়ার, কারও আবার ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই। এমন নানা সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানিতে হাজির হন জেলার বিভিন্ন এলাকার ১৯২ জন সেবাপ্রার্থী।
আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তার পাশাপাশি অন্যদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গণশুনানিতে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬৬ জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে হুইলচেয়ার এবং দুজনকে ওষুধ কিনে দেওয়া হয়েছে। অন্য সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণশুনানিতে আসা মানুষের সমস্যাগুলোর মধ্যে ছিল চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা ও বাসস্থানের সংকট, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা এবং ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা। প্রত্যেকের বক্তব্য শোনার পর সমস্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ, দিকনির্দেশনা ও সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের কথা সরাসরি শোনা এবং তাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে সরকারি সেবাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা প্রশাসন। এ ধরনের গণশুনানির মাধ্যমে নাগরিকেরা তাদের অভাব-অভিযোগ সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনা, সরকারি সেবা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি শোনা এবং তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই গণশুনানির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষ যেন সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। যেসব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব, সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আর যেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের দায়িত্ব।”

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
কেউ এসেছেন চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে, কেউ আর্থিক সংকটে পড়ে। কারও প্রয়োজন হুইলচেয়ার, কারও আবার ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই। এমন নানা সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে শেরপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানিতে হাজির হন জেলার বিভিন্ন এলাকার ১৯২ জন সেবাপ্রার্থী।
আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তার পাশাপাশি অন্যদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গণশুনানিতে জেলা প্রশাসকের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬৬ জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকে হুইলচেয়ার এবং দুজনকে ওষুধ কিনে দেওয়া হয়েছে। অন্য সেবাপ্রার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গণশুনানিতে আসা মানুষের সমস্যাগুলোর মধ্যে ছিল চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারা, আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষা ও বাসস্থানের সংকট, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা এবং ভূমিসংক্রান্ত জটিলতা। প্রত্যেকের বক্তব্য শোনার পর সমস্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরামর্শ, দিকনির্দেশনা ও সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের কথা সরাসরি শোনা এবং তাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে সরকারি সেবাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা প্রশাসন। এ ধরনের গণশুনানির মাধ্যমে নাগরিকেরা তাদের অভাব-অভিযোগ সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনা, সরকারি সেবা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে গণশুনানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি শোনা এবং তাঁদের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই গণশুনানির মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষ যেন সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। যেসব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব, সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আর যেসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের দায়িত্ব।”

আপনার মতামত লিখুন