শেরপুরের নকলা উপজেলার ৩নং উরফা ইউনিয়নের বর্ণ বিন্যাস বিদ্যা পীঠ কেজি স্কুলের এসএসসি ব্যাচ-২০২৬-এর বিদায়ী শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পা ধুয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় শ্রাবণ খান নিজেও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও আবেগে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। পুরো অনুষ্ঠানস্থল এক গভীর আবেগময় পরিবেশে রূপ নেয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেবের পা ধুয়ে সম্মান প্রদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এ সময় প্রধান শিক্ষক তাকে নিরুৎসাহিত করে বলেন, “তুমি বলছো তাতেই খুশি, আর করতে হবে না।” তবে শ্রাবণ তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পরে অনুষ্ঠান শেষে সে সবার সামনে প্রধান শিক্ষকের পা ধুয়ে দিয়ে শিক্ষকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
বিদায়ী শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বলেন, “শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাতেই আমার এই ছোট্ট প্রয়াস।
বর্ণ বিন্যাস বিদ্যা পীঠ কেজি স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. শাহীনুর আলম বলেন,“শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীর এই আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভক্তি শুধু একটি আবেগের প্রকাশ নয়, বরং এটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের মর্যাদা ও গভীরতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।”
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেব বলেন, “আজকের এই মুহূর্তটি আমার জীবনের জন্য অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও স্মরণীয়। আমি আমার ছাত্র শ্রাবণের জন্য দোয়া করি, সে যেন ভবিষ্যতে ভালো মানুষ হতে পারে এবং আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে আনে।”

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের নকলা উপজেলার ৩নং উরফা ইউনিয়নের বর্ণ বিন্যাস বিদ্যা পীঠ কেজি স্কুলের এসএসসি ব্যাচ-২০২৬-এর বিদায়ী শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পা ধুয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন।
এ দৃশ্য দেখে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় শ্রাবণ খান নিজেও কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও আবেগে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। পুরো অনুষ্ঠানস্থল এক গভীর আবেগময় পরিবেশে রূপ নেয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিদায় অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেবের পা ধুয়ে সম্মান প্রদর্শনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এ সময় প্রধান শিক্ষক তাকে নিরুৎসাহিত করে বলেন, “তুমি বলছো তাতেই খুশি, আর করতে হবে না।” তবে শ্রাবণ তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পরে অনুষ্ঠান শেষে সে সবার সামনে প্রধান শিক্ষকের পা ধুয়ে দিয়ে শিক্ষকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভক্তি ও ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
বিদায়ী শিক্ষার্থী শ্রাবণ খান বলেন, “শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানাতেই আমার এই ছোট্ট প্রয়াস।
বর্ণ বিন্যাস বিদ্যা পীঠ কেজি স্কুলের সহকারী শিক্ষক মো. শাহীনুর আলম বলেন,“শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীর এই আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভক্তি শুধু একটি আবেগের প্রকাশ নয়, বরং এটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের মর্যাদা ও গভীরতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।”
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেব বলেন, “আজকের এই মুহূর্তটি আমার জীবনের জন্য অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও স্মরণীয়। আমি আমার ছাত্র শ্রাবণের জন্য দোয়া করি, সে যেন ভবিষ্যতে ভালো মানুষ হতে পারে এবং আমাদের বিদ্যালয়ের সুনাম বয়ে আনে।”

আপনার মতামত লিখুন