আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় এবং প্রয়োজনে শ্রুতিলেখক সুবিধা পাবেন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে শেরপুর জেলারও কয়েকজন রয়েছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড থেকে সঠিক তথ্য আজ দিতে পারেনি তবে তার বলেছেন বেশ কয়েক আছে । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আখতারুজ্জামান ফরিদ।
তিনি জানান, প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময় তিন ঘণ্টা। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ রয়েছে। অর্থাৎ তারা প্রতি ঘণ্টায় সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তুলনায় অতিরিক্ত ১৫ মিনিট সময় পাবেন। এছাড়া যেসব শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে লিখতে অক্ষম, তাদের জন্য শ্রুতিলেখক (স্ক্রাইব) সুবিধাও রাখা হয়েছে।
পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে সবগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু, অবাধ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হইনি।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৮৮টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, শেরপুর জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ১৯ হাজার ৫৯৩ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে সাধারণ (জেনারেল) শাখায় ১৫ হাজার ২৪৩ জন, দাখিলে ৩ হাজার ১৮ জন, কারিগরিতে ১ হাজার ১১৮ জন এবং উন্মুক্ত থেকে ৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
শেরপুর জেলায় মোট ২৯টি কেন্দ্রে এসব পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শেরপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান বলেন, বোর্ড থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই। আশা করছি, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা শুরু ও শেষ করা সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যথাযথ প্রস্তুতি, নজরদারি ও বিশেষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবারের এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১ লাখ ৭ হাজার ৬৫১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় এবং প্রয়োজনে শ্রুতিলেখক সুবিধা পাবেন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে শেরপুর জেলারও কয়েকজন রয়েছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড থেকে সঠিক তথ্য আজ দিতে পারেনি তবে তার বলেছেন বেশ কয়েক আছে । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আখতারুজ্জামান ফরিদ।
তিনি জানান, প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময় তিন ঘণ্টা। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৪৫ মিনিট সময় বরাদ্দ রয়েছে। অর্থাৎ তারা প্রতি ঘণ্টায় সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তুলনায় অতিরিক্ত ১৫ মিনিট সময় পাবেন। এছাড়া যেসব শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে লিখতে অক্ষম, তাদের জন্য শ্রুতিলেখক (স্ক্রাইব) সুবিধাও রাখা হয়েছে।
পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ময়মনসিংহ বোর্ডের অধীনে সবগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু, অবাধ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হইনি।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার মোট ১৮৮টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, শেরপুর জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় মোট ১৯ হাজার ৫৯৩ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে সাধারণ (জেনারেল) শাখায় ১৫ হাজার ২৪৩ জন, দাখিলে ৩ হাজার ১৮ জন, কারিগরিতে ১ হাজার ১১৮ জন এবং উন্মুক্ত থেকে ৬৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
শেরপুর জেলায় মোট ২৯টি কেন্দ্রে এসব পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে।
শেরপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান বলেন, বোর্ড থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই। আশা করছি, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা শুরু ও শেষ করা সম্ভব হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যথাযথ প্রস্তুতি, নজরদারি ও বিশেষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবারের এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন