শেরপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী তাসনিম তাপস্বীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়িয়েছে শেরপুর জেলা পরিষদ। শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে এককালীন বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাপস্বীর হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম মামুনুর রশিদ পলাশ।এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায় সহ পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তাপস্বী শেরপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত এনজিও কর্মী মো. মোশরাফুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে। করোনা মহামারির কঠিন সময়ে তার পিতার চাকরি চলে গেলেও মেধাবী এই শিক্ষার্থী দমে যাননি। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি মেডিকেল কলেজে ভর্তির গৌরব অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ.বি.এম মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, “তাপস্বীর মতো মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। শেরপুরের মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথে আর্থিক সংকট যেন বাধা না হয়, সে লক্ষে জেলা পরিষদ সবসময় সহযোগিতা করে যাবে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই ধরনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায় তার বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, তাপস্বী ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবেন এবং শেরপুর জেলার সুনাম বয়ে আনবেন।”
বিষয় : পড়াশোনা

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের মেধাবী শিক্ষার্থী তাসনিম তাপস্বীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়িয়েছে শেরপুর জেলা পরিষদ। শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে এককালীন বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাপস্বীর হাতে ২০ হাজার টাকার চেক তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম মামুনুর রশিদ পলাশ।এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায় সহ পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তাপস্বী শেরপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত এনজিও কর্মী মো. মোশরাফুল ইসলামের একমাত্র মেয়ে। করোনা মহামারির কঠিন সময়ে তার পিতার চাকরি চলে গেলেও মেধাবী এই শিক্ষার্থী দমে যাননি। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি মেডিকেল কলেজে ভর্তির গৌরব অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ.বি.এম মামুনুর রশিদ পলাশ বলেন, “তাপস্বীর মতো মেধাবী ও সংগ্রামী শিক্ষার্থীর পাশে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। শেরপুরের মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথে আর্থিক সংকট যেন বাধা না হয়, সে লক্ষে জেলা পরিষদ সবসময় সহযোগিতা করে যাবে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই ধরনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায় তার বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, তাপস্বী ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষের সেবা করবেন এবং শেরপুর জেলার সুনাম বয়ে আনবেন।”

আপনার মতামত লিখুন