শেরপুর     মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি



নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি
ছবি: প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নোবিপ্রবি শাখার সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের সমর্থকদের প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। সেখান থেকে উভয় পক্ষ আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে এলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে আমিনুল ইসলাম ইশারায় সাব্বির হোসেনকে ক্যাম্পাস ছাড়তে বলেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সূত্র জানায়, দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচির ডাক দেন সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়। বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পাশ কাটিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করায় নেতাদের একাংশ ক্ষুব্ধ হন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ করে সাব্বির হোসেন বলেন, উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পর থেকেই সংগঠনের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাঁর দাবি, তাঁকে জোর করে ক্যাম্পাসের বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং এ সময় তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ইতিমধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সমাধান করা হয়েছে। ভিসি পতনের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির বিষয়ে তাঁদের কোনো দ্বিমত নেই। তবে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ নাম ব্যবহার করে কর্মসূচি দেওয়াকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে হাতাহাতি

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নোবিপ্রবি শাখার সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের সমর্থকদের প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। সেখান থেকে উভয় পক্ষ আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে এলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে আমিনুল ইসলাম ইশারায় সাব্বির হোসেনকে ক্যাম্পাস ছাড়তে বলেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সূত্র জানায়, দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচির ডাক দেন সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা। তবে বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণের মধ্যে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়। বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পাশ কাটিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করায় নেতাদের একাংশ ক্ষুব্ধ হন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ করে সাব্বির হোসেন বলেন, উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পর থেকেই সংগঠনের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাঁর দাবি, তাঁকে জোর করে ক্যাম্পাসের বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং এ সময় তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ইতিমধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সমাধান করা হয়েছে। ভিসি পতনের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির বিষয়ে তাঁদের কোনো দ্বিমত নেই। তবে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ নাম ব্যবহার করে কর্মসূচি দেওয়াকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত