জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিন্যান্স বিভাগের ৫ম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী ও কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শোকাতুর হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এক শোক সভা ও প্রতিবাদী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির শুরুতে একটি মৌন মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে নিহত বুলেট বৈরাগীর স্মরণে এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বুলেট বৈরাগী কেবল একজন মেধাবী ছাত্রই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা। তার মতো একজন মানুষকে এভাবে প্রাণ হারানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়, এটি দেশের আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এক বড় আঘাত। আমরা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান চাই।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব অনিক কুমার দাস বলেন, "বুলেট বৈরাগী দাদার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমরা স্তম্ভিত। একজন মেধাবী মুখকে এভাবে হারানো অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"
প্রসঙ্গত, গত ২৪ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিন্যান্স বিভাগের ৫ম ব্যাচের মেধাবী শিক্ষার্থী ও কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শোকাতুর হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মৌন মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এক শোক সভা ও প্রতিবাদী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির শুরুতে একটি মৌন মিছিল ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে নিহত বুলেট বৈরাগীর স্মরণে এবং তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বুলেট বৈরাগী কেবল একজন মেধাবী ছাত্রই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা। তার মতো একজন মানুষকে এভাবে প্রাণ হারানো কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
শিক্ষার্থীরা বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়, এটি দেশের আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর এক বড় আঘাত। আমরা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান চাই।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব অনিক কুমার দাস বলেন, "বুলেট বৈরাগী দাদার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমরা স্তম্ভিত। একজন মেধাবী মুখকে এভাবে হারানো অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, কালক্ষেপণ না করে অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"
প্রসঙ্গত, গত ২৪ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন