শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার চাপাঝোড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত করে কৃত্রিমভাবে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ) কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল-আমীন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম ফয়জুর রাজ্জাক আকন্দ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ায় তাদের পাকা ধান রক্ষা পেয়েছে। তারা প্রশাসনের এমন দ্রুত হস্তক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের যেকোনো সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যতেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার চাপাঝোড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের পথ বাধাগ্রস্ত করে কৃত্রিমভাবে ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকার পাকা ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ) কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল-আমীন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম ফয়জুর রাজ্জাক আকন্দ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ায় তাদের পাকা ধান রক্ষা পেয়েছে। তারা প্রশাসনের এমন দ্রুত হস্তক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের যেকোনো সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যতেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন