শেরপুরের শ্রীবরদীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছলি ফার্ম হাউজের খামারি মাসুদুর রহমান। ২৯ এপ্রিল বুধবার ভোরে উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঝড়ে তার হাঁসের খামারের একটি ঘর ভেঙ্গে পড়েছে। ওই ঘটনায় প্রায় ১০০টি হাঁস ও শতাধিক বয়লার মুরগি মারা গেছে। ১ হাজারের অধিক ডিম ভেঙ্গে গেছে।
বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝড়ে হাঁসের খামারের ঘরটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছে। মৃত হাঁস ও ডিম গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। শ্রমিকরা ঘর মেরামতের জন্য কাজ করছে।
মাছলি ট্রেডার্স ড্রাগ হাউজ ও মাছলি ফার্ম হাউজের স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান বলেন, আমার খামারে প্রায় ১২শতাধিক হাঁস রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরে প্রায় ৫ শতাধিক হাঁস ও কয়েকশ বয়লার মুরগি ছিলো। বুধবার ভোরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরটি পুরোপুরি ভেঙ্গে গেছে। এতে অনেকগুলো হাঁস, মুরগি মারা গেছে। ডিম নষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় আমার প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত খামারি তথ্য নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রণোদনা বা আর্থিক সহযোগিতা আসলে সেই খামারিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদীতে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাছলি ফার্ম হাউজের খামারি মাসুদুর রহমান। ২৯ এপ্রিল বুধবার ভোরে উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঝড়ে তার হাঁসের খামারের একটি ঘর ভেঙ্গে পড়েছে। ওই ঘটনায় প্রায় ১০০টি হাঁস ও শতাধিক বয়লার মুরগি মারা গেছে। ১ হাজারের অধিক ডিম ভেঙ্গে গেছে।
বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঝড়ে হাঁসের খামারের ঘরটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছে। মৃত হাঁস ও ডিম গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। শ্রমিকরা ঘর মেরামতের জন্য কাজ করছে।
মাছলি ট্রেডার্স ড্রাগ হাউজ ও মাছলি ফার্ম হাউজের স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান বলেন, আমার খামারে প্রায় ১২শতাধিক হাঁস রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরে প্রায় ৫ শতাধিক হাঁস ও কয়েকশ বয়লার মুরগি ছিলো। বুধবার ভোরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরটি পুরোপুরি ভেঙ্গে গেছে। এতে অনেকগুলো হাঁস, মুরগি মারা গেছে। ডিম নষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় আমার প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত খামারি তথ্য নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। পরবর্তীতে প্রণোদনা বা আর্থিক সহযোগিতা আসলে সেই খামারিকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন