শেরপুর     রোববার, ০৩ মে ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

হরমুজকে মার্কিন ‘জলদস্যুদের’ কবরস্থানে পরিণত করা হবে: ইরান



হরমুজকে মার্কিন ‘জলদস্যুদের’ কবরস্থানে পরিণত করা হবে: ইরান
সংগৃহিত ছবি

মার্কিন বাহিনীকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন বাহিনীর ‘কবরস্থান’ বানানোর হুমকি দিয়েছেন ইরানের সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার এবং তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই বিশ্বের একমাত্র জলদস্যু, যাদের কাছে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। জলদস্যুদের মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমাদের যেমন আছে, তেমনি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার সক্ষমতাও কম নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও বাহিনীর জন্য কবরস্থান তৈরি করা হচ্ছে। ঠিক যেমন ইসফাহানে মার্কিন বিমানের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে আবারো কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে পারে।’

গতকাল শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রস্তাবের ধারণা তাকে জানানো হয়েছে। তবে চূড়ান্ত খসড়া এখনও হাতে পাননি। 

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।

দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরান-লেবাননে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি চুক্তি করতে এক মাস সময় দিয়েছে তেহরান।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এই চুক্তি হওয়ার পরই কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আরো এক মাস সময় বর্ধিত হবে, এমনটাই ইরান প্রস্তাব দিয়েছে। 

মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ১৪ দফার একটি পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান।

ইরানের দেওয়া এই পরিকল্পনার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। যেমন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ শেষ করা।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দুই মাসের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ইরান সেটি প্রত্যাখ্যান করেন এক মাসে আনার দাবি জানিয়েছে। এই ১৪ দফার মধ্যে আরো রয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানে আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না এমন গ্যারান্টি।

এ ছাড়াও ইরানের সীমান্ত এলাকা থেকে নৌ-অবরোধের অবসান, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্তি এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করাসহ লেবাননে লড়াই বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর দাবিও জানিয়েছে ইরান।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


হরমুজকে মার্কিন ‘জলদস্যুদের’ কবরস্থানে পরিণত করা হবে: ইরান

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

মার্কিন বাহিনীকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দিয়ে হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন বাহিনীর ‘কবরস্থান’ বানানোর হুমকি দিয়েছেন ইরানের সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার এবং তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই বিশ্বের একমাত্র জলদস্যু, যাদের কাছে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। জলদস্যুদের মোকাবিলা করার সক্ষমতা আমাদের যেমন আছে, তেমনি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার সক্ষমতাও কম নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও বাহিনীর জন্য কবরস্থান তৈরি করা হচ্ছে। ঠিক যেমন ইসফাহানে মার্কিন বিমানের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল।’

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে আবারো কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে পারে।’

গতকাল শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রস্তাবের ধারণা তাকে জানানো হয়েছে। তবে চূড়ান্ত খসড়া এখনও হাতে পাননি। 

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।

দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরান-লেবাননে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি চুক্তি করতে এক মাস সময় দিয়েছে তেহরান।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এই চুক্তি হওয়ার পরই কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আরো এক মাস সময় বর্ধিত হবে, এমনটাই ইরান প্রস্তাব দিয়েছে। 

মূলত, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ১৪ দফার একটি পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান।

ইরানের দেওয়া এই পরিকল্পনার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। যেমন আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করে চূড়ান্তভাবে যুদ্ধ শেষ করা।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দুই মাসের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ইরান সেটি প্রত্যাখ্যান করেন এক মাসে আনার দাবি জানিয়েছে। এই ১৪ দফার মধ্যে আরো রয়েছে, ভবিষ্যতে ইরানে আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না এমন গ্যারান্টি।

এ ছাড়াও ইরানের সীমান্ত এলাকা থেকে নৌ-অবরোধের অবসান, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্তি এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করাসহ লেবাননে লড়াই বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর দাবিও জানিয়েছে ইরান।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত