শেরপুর সদরের কুসুমহাটি বাজারটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সবজির মোকাম ।বাজারটি আঞ্চলিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় অর্ধকোটি টাকার সবজি বিক্রি হয় এই বাজারে। ভোরের আলো ফুটতেই সরগরম শেরপুর সদরের কুসুমহাটি বাজার। জেলা সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ছাড়াও অন্যান্য উপজেলা থেকে পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং ট্রাকে করে শাকসবজি আসে এই বাজারে। কৃষকের সবজির ন্যায্য দামটা তারা পাচ্ছে।
আলু, টমেটো, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, কাঁচামরিচসহ মৌসুমি নানা ধরনের সবজিতে ভরে উঠে মোকাম। প্রতিদিন কয়েকশ’ মণ শাক সবজি আসে এই বাজারে। এসব শাক সবজি স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি চলে যায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরগুলোতে। প্রতিদিন অর্ধকোটি টাকার বেশি লেনদেন যেমন একদিকে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখছে। অন্যদিকে পরিবহন, শ্রমিক, প্যাকেজিং ও খুচরা ব্যবসা সব ক্ষেত্রেই তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান। শেরপুরের ৫ টি উপজেলায় সারা বছর সবজি উৎপাদন করা হয় তাই বাজারটি সারা বছর থাকে।’
কৃষক ও পাইকাররা জানান, এখানের সবজি দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। বিশেষ করে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহের মতো জায়গায় বেশি যায়। তবে অবকাঠামো উন্নয়ন, শেড বৃদ্ধি ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে এই বাজার থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর শেরপুরে ৯ হাজার ১ হেক্টর জমিতে শাকসবজির চাষ হয়েছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
শেরপুর সদরের কুসুমহাটি বাজারটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সবজির মোকাম ।বাজারটি আঞ্চলিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় অর্ধকোটি টাকার সবজি বিক্রি হয় এই বাজারে। ভোরের আলো ফুটতেই সরগরম শেরপুর সদরের কুসুমহাটি বাজার। জেলা সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ছাড়াও অন্যান্য উপজেলা থেকে পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং ট্রাকে করে শাকসবজি আসে এই বাজারে। কৃষকের সবজির ন্যায্য দামটা তারা পাচ্ছে।
আলু, টমেটো, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, কাঁচামরিচসহ মৌসুমি নানা ধরনের সবজিতে ভরে উঠে মোকাম। প্রতিদিন কয়েকশ’ মণ শাক সবজি আসে এই বাজারে। এসব শাক সবজি স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি চলে যায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরগুলোতে। প্রতিদিন অর্ধকোটি টাকার বেশি লেনদেন যেমন একদিকে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখছে। অন্যদিকে পরিবহন, শ্রমিক, প্যাকেজিং ও খুচরা ব্যবসা সব ক্ষেত্রেই তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থান। শেরপুরের ৫ টি উপজেলায় সারা বছর সবজি উৎপাদন করা হয় তাই বাজারটি সারা বছর থাকে।’
কৃষক ও পাইকাররা জানান, এখানের সবজি দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। বিশেষ করে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহের মতো জায়গায় বেশি যায়। তবে অবকাঠামো উন্নয়ন, শেড বৃদ্ধি ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা গেলে এই বাজার থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর শেরপুরে ৯ হাজার ১ হেক্টর জমিতে শাকসবজির চাষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন