ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বোরো ধান, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার মাজরাকুড়া, কড়ইতলী, সংড়া ও মহিষলেটি গ্রামের নিচু এলাকার শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ ঢলে ধান, ভুট্টা, ঝিঙা, শশা ও বেগুনের ক্ষেত পানির নিচে চলে যায়। পাশাপাশি কয়েকটি পুকুরের মাছও ভেসে গেছে। এদিকে মাজরাকুড়া স্কুলের পিছন দিয়ে কুমারগাতি যাওয়ার সড়কের প্রায় ২০–৩০ ফুট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, প্রায় ২৪৫ হেক্টর জমির ফসল আংশিক এবং ৭০ হেক্টর সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে ২ নং জুগলী ইউনিয়নের সংড়া গ্রামের কৃষকরা অভিযোগ করেন, এলাকায় ধান কাটার মেশিনের সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে যে কয়েকটি হারভেস্টার রয়েছে, সেগুলো একর প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা ভাড়া দাবি করছে। এতে সময়মতো ধান কাটতে না পেরে কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত হারভেস্টার সরবরাহ, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বোরো ধান, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার মাজরাকুড়া, কড়ইতলী, সংড়া ও মহিষলেটি গ্রামের নিচু এলাকার শতাধিক হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ ঢলে ধান, ভুট্টা, ঝিঙা, শশা ও বেগুনের ক্ষেত পানির নিচে চলে যায়। পাশাপাশি কয়েকটি পুকুরের মাছও ভেসে গেছে। এদিকে মাজরাকুড়া স্কুলের পিছন দিয়ে কুমারগাতি যাওয়ার সড়কের প্রায় ২০–৩০ ফুট অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, প্রায় ২৪৫ হেক্টর জমির ফসল আংশিক এবং ৭০ হেক্টর সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে ২ নং জুগলী ইউনিয়নের সংড়া গ্রামের কৃষকরা অভিযোগ করেন, এলাকায় ধান কাটার মেশিনের সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে যে কয়েকটি হারভেস্টার রয়েছে, সেগুলো একর প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা ভাড়া দাবি করছে। এতে সময়মতো ধান কাটতে না পেরে কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
কৃষকদের দাবি, দ্রুত হারভেস্টার সরবরাহ, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতির পরিমাণ আরও ভয়াবহ হবে।

আপনার মতামত লিখুন