শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। এ সময় তার বক্তব্যের পর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের একটি রসিক মন্তব্য সংসদ কক্ষে হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি করে।
রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। উত্থাপনীয় বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা গারো পাহাড়ের পাদদেশে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর বাজার চরাঞ্চলে হওয়ায় এটি থানা থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে।
তিনি বলেন, ঝগড়ারচর বাজারে শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ ও ইসলামপুর—এই তিন উপজেলার মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে সমবেত হন। তিন উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বাজারটির গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু এলাকায় প্রায়ই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি এমনকি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে। থানা থেকে দূরে হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে, ফলে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এমপি রুবেলের বক্তব্য শেষে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম রসিকতা করে বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য, জায়গার নামই ঝগড়ারচর। এখানে তো ঝগড়া হবেই। পুলিশ গিয়ে কি ঝগড়া থামাতে পারবে?”
স্পিকারের এ মন্তব্যে সংসদ কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে। তবে রসিকতার মধ্যেও সীমান্তবর্তী ও চরাঞ্চলের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেন সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। এ সময় তার বক্তব্যের পর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের একটি রসিক মন্তব্য সংসদ কক্ষে হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি করে।
রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। উত্থাপনীয় বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা গারো পাহাড়ের পাদদেশে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর বাজার চরাঞ্চলে হওয়ায় এটি থানা থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে।
তিনি বলেন, ঝগড়ারচর বাজারে শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ ও ইসলামপুর—এই তিন উপজেলার মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে সমবেত হন। তিন উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় বাজারটির গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু এলাকায় প্রায়ই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি এমনকি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে। থানা থেকে দূরে হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সময় লাগে, ফলে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এমপি রুবেলের বক্তব্য শেষে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম রসিকতা করে বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য, জায়গার নামই ঝগড়ারচর। এখানে তো ঝগড়া হবেই। পুলিশ গিয়ে কি ঝগড়া থামাতে পারবে?”
স্পিকারের এ মন্তব্যে সংসদ কক্ষে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে। তবে রসিকতার মধ্যেও সীমান্তবর্তী ও চরাঞ্চলের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝগড়ারচর বাজারে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেন সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল।

আপনার মতামত লিখুন