ইরানের যোগাযোগ উপমন্ত্রী ও মহাকাশ সংস্থার প্রধান হাসান সালারিয়ে ফার্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে দেশটির সর্বশেষ মহাকাশ প্রকল্পগুলোর অবস্থা এবং ১৪০৫ সালের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন শিগগির প্রথম রাডার স্যাটেলাইট উদ্বোধন করবে দেশটি।
ইরানের যোগাযোগ উপমন্ত্রী ও মহাকাশ সংস্থার প্রধান জানান স্যাটেলাইট প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা ১৪০৫ সালেও আগের বছরগুলোর মতো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রেখেছি। কিছু প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু শিগগির শেষ হবে।’
১৪০৫ (ইরানি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী) সালে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া এবং পার্স-২, রাডার স্যাটেলাইট ও শহীদ সোলাইমানি স্যাটেলাইট কনস্টেলেশনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ প্রকল্পের অগ্রগতির খবর জানিয়েছেন।
সালারিয়ে আরও বলেন, ‘যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা আমরা অদূর ভবিষ্যতে করছি, তার মধ্যে অন্যতম হলো পার্স-২ স্যাটেলাইট। এছাড়া প্রথম রাডার স্যাটেলাইটের উদ্বোধনও করা হবে, যার প্রাথমিক নমুনা ১৪০৪ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ সোলাইমানি’ স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন প্রকল্পও দ্রুতগতিতে ও গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে চলছে এবং এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ শিগগিরই করা হবে।
ইরানের মহাকাশ সংস্থার প্রধান আরও জানান, নির্মাণাধীন অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পার্স-৩ ইমেজিং স্যাটেলাইট, যা একটি উচ্চ-নির্ভুল স্যাটেলাইট। এছাড়া রাডার স্যাটেলাইট (রাড-২)-এর নকশা তৈরির কাজও চলছে। নিম্ন কক্ষপথের যোগাযোগ স্যাটেলাইট নাহিদ-২-এর উন্নত সংস্করণ এবং নাহিদ-৩ স্যাটেলাইটও মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও সহযোগী জ্ঞানভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে।
দেশটির মহাকাশ শিল্প পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে সালারিয়ে বলেন, এই শিল্প সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে বিকেন্দ্রীভূতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে কয়েকটি কেন্দ্র বা ভবনের ক্ষতি হলেও সামগ্রিক কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাবে না।
ইরানের মহাকাশ অবকাঠামোর অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সেগুলো প্রতিস্থাপন ও পুনর্গঠনের কাজ চলছে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা ও তদারকির মাধ্যমে প্রকল্পগুলো চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
ইরানের যোগাযোগ উপমন্ত্রী ও মহাকাশ সংস্থার প্রধান হাসান সালারিয়ে ফার্স নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে দেশটির সর্বশেষ মহাকাশ প্রকল্পগুলোর অবস্থা এবং ১৪০৫ সালের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন শিগগির প্রথম রাডার স্যাটেলাইট উদ্বোধন করবে দেশটি।
ইরানের যোগাযোগ উপমন্ত্রী ও মহাকাশ সংস্থার প্রধান জানান স্যাটেলাইট প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা ১৪০৫ সালেও আগের বছরগুলোর মতো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রেখেছি। কিছু প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু শিগগির শেষ হবে।’
১৪০৫ (ইরানি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী) সালে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া এবং পার্স-২, রাডার স্যাটেলাইট ও শহীদ সোলাইমানি স্যাটেলাইট কনস্টেলেশনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ প্রকল্পের অগ্রগতির খবর জানিয়েছেন।
সালারিয়ে আরও বলেন, ‘যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা আমরা অদূর ভবিষ্যতে করছি, তার মধ্যে অন্যতম হলো পার্স-২ স্যাটেলাইট। এছাড়া প্রথম রাডার স্যাটেলাইটের উদ্বোধনও করা হবে, যার প্রাথমিক নমুনা ১৪০৪ সালের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ সোলাইমানি’ স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন প্রকল্পও দ্রুতগতিতে ও গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে চলছে এবং এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ শিগগিরই করা হবে।
ইরানের মহাকাশ সংস্থার প্রধান আরও জানান, নির্মাণাধীন অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পার্স-৩ ইমেজিং স্যাটেলাইট, যা একটি উচ্চ-নির্ভুল স্যাটেলাইট। এছাড়া রাডার স্যাটেলাইট (রাড-২)-এর নকশা তৈরির কাজও চলছে। নিম্ন কক্ষপথের যোগাযোগ স্যাটেলাইট নাহিদ-২-এর উন্নত সংস্করণ এবং নাহিদ-৩ স্যাটেলাইটও মহাকাশ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও সহযোগী জ্ঞানভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে।
দেশটির মহাকাশ শিল্প পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে সালারিয়ে বলেন, এই শিল্প সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে বিকেন্দ্রীভূতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। ফলে কয়েকটি কেন্দ্র বা ভবনের ক্ষতি হলেও সামগ্রিক কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাবে না।
ইরানের মহাকাশ অবকাঠামোর অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সেগুলো প্রতিস্থাপন ও পুনর্গঠনের কাজ চলছে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা ও তদারকির মাধ্যমে প্রকল্পগুলো চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন