মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া চুক্তির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার সুইজারল্যান্ড সফরে যাওয়ার কথা ছিল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। তবে সফরটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি জানান, কিছু ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও তিনি চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে।
বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে ৬০ দিনের আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়। আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তবে চুক্তির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ও বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘এই ধরনের আলোচনা আয়োজন কখনোই সহজ বা পূর্বানুমানযোগ্য ছিল না। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট আজ রাতে রওনা হচ্ছেন না। আমরা যত দ্রুত সম্ভব প্রযুক্তিগত পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী।’
অন্যদিকে ইরানে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফর নিয়ে ‘এখনও কিছুই নিশ্চিত হয়নি’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন মোজতবা খামেনি।
তিনি লিখিত বিবৃতিতে জানান, ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও তিনি চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘ইরানি জাতির অধিকার রক্ষার’ প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতেই তিনি এ অনুমতি দিয়েছেন।
মোজতবা খামেনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে, তবে এর অর্থ এই নয় যে ‘শত্রুপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হচ্ছে’।
এদিকে, শুক্রবার ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, ‘অন্য পক্ষ অসদাচরণ, চুক্তি ভঙ্গ বা সীমা লঙ্ঘন করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়া হবে- এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া চুক্তির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার সুইজারল্যান্ড সফরে যাওয়ার কথা ছিল মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের। তবে সফরটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি জানান, কিছু ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও তিনি চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নিয়েছে।
বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে ৬০ দিনের আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু হয়। আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তবে চুক্তির পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ও বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘এই ধরনের আলোচনা আয়োজন কখনোই সহজ বা পূর্বানুমানযোগ্য ছিল না। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট আজ রাতে রওনা হচ্ছেন না। আমরা যত দ্রুত সম্ভব প্রযুক্তিগত পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী।’
অন্যদিকে ইরানে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদলের সফর নিয়ে ‘এখনও কিছুই নিশ্চিত হয়নি’।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন মোজতবা খামেনি।
তিনি লিখিত বিবৃতিতে জানান, ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও তিনি চুক্তিটি অনুমোদন করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘ইরানি জাতির অধিকার রক্ষার’ প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতেই তিনি এ অনুমতি দিয়েছেন।
মোজতবা খামেনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে, তবে এর অর্থ এই নয় যে ‘শত্রুপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হচ্ছে’।
এদিকে, শুক্রবার ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, ‘অন্য পক্ষ অসদাচরণ, চুক্তি ভঙ্গ বা সীমা লঙ্ঘন করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়া হবে- এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

আপনার মতামত লিখুন